হাসান মাহমুদ, তানজিম হাসান সাকিবদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতাটা একেবারে কম নয়। নাঈম হাসান তো টেস্ট দলে নিয়মিতই থাকেন। এই বোলাররা মিলে সারাদিন বল করেও পাকিস্তানের ‘এ’ দলের ৪ উইকেটের বেশি নিতে পারেননি।
অথচ একই মাঠে আগের দিন মাত্র ১২২ রান করে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। সেখানে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে পাকিস্তান ‘এ’ দলের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩৬৭ রান। সেঞ্চুরি করেছেন উমর আমিন, তার একার ইনিংসই বাংলাদেশের দলীয় সংগ্রহের চেয়ে বেশি।
১৭৭ রান করে আউট হয়েছেন পাকিস্তানের হয়ে ৪ টেস্ট খেলা এই বামহাতি ব্যাটসম্যান। সাউদ শাকিল করেছেন ৭৬ রান। বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হাসান মুরাদ ৪৯ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট, ১ উইকেট করে নিয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব ও নাঈম হাসান।
ইসলামাবাদের ম্যাচটির সরাসরি সম্প্রচার দেখানো হচ্ছে না কোথাও। তবে পিসিবি’র ইউটিউব চ্যানেলে দিনের হাইলাইটস প্যাকেজ দেখতে পাওয়া যায়। সেখানেই দেখা গেছে পাকিস্তানের পেসারদের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের অসহায়ত্বের ছবিটা। মীর হামজার বল বুঝে ওঠার আগেই ভাঙ্গে জাকির হাসানের স্টাম্প।
নাসিম শাহের লেগ মিডলে পড়া বলটা মুহূর্তের মধ্যেই মমিনুল হকের ব্যাটে চুমু খেয়ে জমা পড়ে স্লিপ ফিল্ডারের হাতে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বোলারদের বোলিংয়ে লাইন লেন্থের নিয়ন্ত্রণ ছিল কম। বিশেষ করে হাসান মাহমুদকে স্টাম্পের বাইরে আলগা বল দিতেই বেশি দেখা গেছে।
একই ভুল দেখা গেছে রেজাউর রহমান রাজার বোলিংয়েও। ব্যাটসম্যানদের ড্রাইভিং রেঞ্জে অথবা ফ্লিক করার জন্য প্যাডের উপর বল করেছেন বেশি। উইকেট থেকে বাউন্স নিংড়ে বের করতে পারেননি, বলের সিম কাজে লাগানোর ব্যপারেও দেখা যায়নি মুনশিয়ানা।
হাসান ১৪ ওভারে কোন উইকেট না নিয়ে দিয়েছেন ৫৩ রান, রাজা ১৪ ওভারে দিয়েছেন ৫৮ রান। নাইম ২৩ ওভারে ৮১ রান দিয়ে নিয়েছেন ১ উইকেট, তানজিম সাকিবের ১ উইকেটের জন্য খরচ ১৭ ওভারে ৬৭ রান। হাসান মুরাদ আউট করেছেন উমর আমিন ও সাউদ শাকিলকে। দুটোই জাকিরের স্টাম্পিং।
৯০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৬৭ রান তুলেছে পাকিস্তান এ দল। এগিয়ে আছে ২৪৫ রানে, হাতে ৬ উইকেট। কামরান গুলাম ২০ ও সাদ খান ৩১ রানে ব্যাট করছেন।
