‘প্রতিবিপ্লব’ শাহবাগে সর্বাত্মক অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১টা থেকে শাহবাগে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
এসময় তারা প্রতিবিপ্লব ঠেকাতে স্লোগান দিতে থাকেন। তাছাড়া, মহানগর নাট্যগোষ্ঠীর পরিবেশনায় গান, কবিতা ও নাটক মঞ্চায়ন করা হয়।
এসময় ছাত্র-জনতা ‘হৈ হৈ রৈ রৈ, হাসিনা/সন্ত্রাসীরা গেলি কই?; জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে; লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে; ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই, হাসিনার ফাঁসি চাই; আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দিবী না; সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না; একশন একশন, ডাইরেক্ট একশন’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
এসময় মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সমন্বয়ক এইচ এম মঈন বলেন, আজ স্বাধীন দেশে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হচ্ছে। আমরা চাই আমাদের জীবন যাক কিন্তু নতুন প্রজন্মের রক্ত যেনো না ঝরে। নতুন প্রজন্ম যেনো শান্তিতে বসবাস করে সেটা নিশ্চিত করতে চাই।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলেও সেখান থেকে ষড়যন্ত্র মঞ্চস্থ করার পায়তারা করছে। তাছাড়া তাদের সন্ত্রাসী সন্তানদের দেশে লেলিয়ে দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে বিনীত আবেদন করছি এই খুনি হাসিনাকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে ফাঁসির কাষ্ঠে দাঁড় করাতে হবে। তাছাড়া ছাত্র-জনতা-সেনাবাহিনীর উপর হামলায় জড়িত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের সন্ত্রাসীদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে৷ আপনারা যদি তা না করতে পারেন ছাত্র-জনতা আবার স্বাধীনতার ডাক দিবে।
বক্তারা আরও বলেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা শত শত ছাত্র-জনতাকে হত্যা করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। সে পালিয়ে গেলেও পালটা ক্যু করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা রাজপথে থাকতে স্বৈরাচারী হাসিনার প্রচেষ্টা কখনোই সফল হবে না। আজকের অবস্থান কর্মসূচি থেকে আমরা বলতে চাই, শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
