বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয় নিহতের ঘটনায় মামলা নিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করে বলে জানিয়েছেন নিহতের বোন তাসফিয়া আলম।
তাসফিয়া আলম অভিযোগ করে বলেন, আসামির তালিকায় পুলিশ কর্মকর্তার নাম থাকায় মামলা নিতে প্রথমে গড়িমসি করে পুলিশ। দীর্ঘ ১৩ ঘণ্টা অপেক্ষার পর মধ্যরাতে মামলা নথিভুক্ত করেছে নিউমার্কেট থানা পুলিশ।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয় (২৮)। ওই ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করতে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় প্রিয়র মা সামসি আরা জামান, তার বোন তাসফিয়া আলমসহ আরও কয়েকজন নিউমার্কেট থানায় যান। তবে মামলায় আসামির তালিকায় পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম থাকায় পুলিশ মামলা নিতে চায়নি বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
এদিকে পুলিশ মামলা নথিভুক্ত না করায় প্রিয়র পরিবার ও বন্ধুরা প্ল্যাকার্ড হাতে থানার সামনে অবস্থান নেন। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, থানায় তদন্ত কর্মকর্তা না থাকায় দেরি হয়েছে।
প্রিয়র মা সামসি আরা জামান বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় দণ্ডবিধির ৩০২, ১১৪ ও ১০৯ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৩, তারিখ ২১ আগস্ট। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিএমপির সাবেক উপকমিশনার (রমনা জোন) মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম, ডিএমপির এডিসি (নিউমার্কেট জোন) হাফিজ আল আসাদ, ডিএমপির এডিসি (নিউমার্কেট জোন) মো. রেফাতুল ইসলাম রিফাত ও নিউমার্কেট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া, এই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ জন আসামি রয়েছেন।
ফেনীতে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, আশ্রয়ের সন্ধানে বন্যাদুর্গতরা
পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতেন হেনরি, এখন ৯ বিলাসবহুল গাড়ির মালিক