অন্তবর্তীকালীন সময়েও প্রকল্পগুলোর কাজ অব্যাহত রেখে যথাসময়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছে বুঝিয়ে দিতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইয়োমা কিমিনোরি।
রবিবার শেরে বাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আশ্বাস দেন জাপানি রাষ্ট্রদূত।
বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে জাপান। সদ্যবিদায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ ডলার ছাড় করেছে দেশটি। এখন শুধু জাপানি অর্থায়নে ১২টি প্রকল্পের কাজ চলছে। টেকনিক্যাল কোঅপারেশনের প্রজেক্ট ৩৬টি।
পরিকল্পনা উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে চলমান প্রকল্প সম্পন্ন এবং ভবিষ্যত সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন জাপানের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, আমি ইতিমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা এবং অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে স্বাক্ষাত করেছি।
উপদেষ্টা ওয়াহিউদ্দিন মাহমুদ রাষ্ট্রদূতকে বলেন, জাপান সবসময়ই বাংলাদেশের ভালো বন্ধু এবং বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
জাপানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা উন্নয়নে এবং বাংলাদেশিদের জাপানে পড়াশোনার জন্য বৃত্তি প্রদান অব্যাহত রাখারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বাংলাদেশে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের পথচলা শুরু হয় ১৯৭৩ সালের মার্চে।
মেট্রোরেলকে ‘জরুরি সেবা’ ঘোষণা করা হবে