গাজা সীমান্তে ইসরায়েলের উপস্থিতি মেনে নেবে না মিসর

  • সীমান্তগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত উপস্থিতি মেনে নেবে না মিসর
  • রাফাহ ক্রসিংসহ সীমান্ত এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের আহ্বান 
আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৪, ০১:১৫ পিএম

১০ মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজাতে বর্বর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার দেশ ইসরায়েল। আগ্রাসনের শুরু থেকেই গাজার সীমান্তগুলোও নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে দেশটির বাহিনী। এমনকি মিসরের সাথে গাজার সীমান্তগুলোতেও দখলদারিত্ব চালাচ্ছে তাঁরা।

গাজার প্রায় সব সীমান্তে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব ও নিয়ন্ত্রণের কারণে পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছাতে পারছে না অবরুদ্ধ ভূখণ্ডটিতে। এতে করে চরম মানবিক সংকটের কবলে সম্পূর্ণ গাজা উপত্যকা। আর এমন পরিস্থিতে সীমান্তে আর ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ চাইছে না মিসর।  

সোমবার মিসরের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থার বরাতে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানায় আরব নিউজ।

মিসরের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আল-কাহেরা নিউজ জানায়, মিসর এবং গাজা উপত্যকার সীমান্তগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত উপস্থিতি মেনে নেবে না বলে জানিয়েছে দেশটি।

এমনকি যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেও, রাফাহ ক্রসিংসহ সীমান্ত এলাকা থেকে ইসরায়েলকে তার বাহিনী প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে মিসরের যাওয়ার একমাত্র সীমান্ত হল রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং, সেটি আগে ইসরায়েল দ্বারা সরাসরি নিয়ন্ত্রিত ছিল না।

গত মে মাসে স্থল অভিযানের মাধ্যমে ইসরায়েলি বাহিনী মে রাফাহ ক্রসিংয়ের ফিলিস্তিনি অংশ দখল করে। এতে করে গাজা উপত্যকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাহায্যের পথ বন্ধ হয়ে যায়।

ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধ বিরতি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে কাজ করছে মিসর। চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আশা রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি। ওয়াশিংটনও শুক্রবার জানিয়েছে যে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত