বন্যার্তদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সমন্বিত পদক্ষেপ দরকার: এবি পার্টি

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৪, ০৭:১৭ পিএম

বন্যার্তদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে জনদুর্ভোগ প্রকট হবে বলে মনে করে এবি পার্টি। বন্যাদুর্গত জেলাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা, মানবিক সাহায্য বিতরণ ও ত্রাণ তৎপরতা শেষে বানভাসীদের জন্য কাজ করা টিমগুলোর অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ মূল্যায়ন তুলে ধরেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) নেতারা।

এতে পার্টির পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় সহায়তা ও উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির প্রচার সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল, সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব এ বি এম খালিদ হাসান ও মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন।

এ সময় মঞ্জু বলেন, সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র স্বেচ্ছাসেবকসহ সবার মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী থাকার পরও যাথাযথ স্থানে সেগুলো পৌঁছাচ্ছে না। বন্যার্তদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনে এখন দরকার সমন্বিত পদক্ষেপ। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, এনজিও, পুলিশ ও সেনাবাহিনী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীসহ সবাই যদি সমন্বয় করে কাজ করে তাহলে এত বড় ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব। যদি সেটা না করা হয় তাহলে জনদুর্ভোগ প্রকট হবে এবং জনঅসন্তোষ তৈরি হবে।

সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার বন্যা পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবি পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভুইয়া, লক্ষ্মীপুরের পরিস্থিতি তুলে ধরেন যুবপার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল। সাংবাদিকদের সার্বিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক বি এম নাজমুল হক, পরে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষ করেন উদ্ধার, সহায়তা ও পুনর্বাসন টিমের সমন্বয়ক লে. কর্নেল (অব.) হেলাল উদ্দিন। 

লক্ষ্মীপুরের পরিস্থিতি তুলে ধরে শাহাদাতুল্লাহ টুটুল বলেন, লক্ষ্মীপুরের প্রায় ১০ লাখ লোক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা, রাজনৈতিক দল, ছাত্ররা সর্বাত্মক আন্তরিকতা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার কারণে যথাযথভাবে সহায়তা কার্যক্রম চালানো সমস্যা হচ্ছে।

ব্যারিস্টার যোবায়ের বলেন, ‘পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় সরকারের উচিত ছিল সবার সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যাপ্ত নৌকা বা স্পিডবোটের ব্যবস্থা করা, যেন ত্রাণসামগ্রী দ্রুত সর্বত্র পৌঁছানো যায়। কিন্তু আমরা সেটা পাইনি।’

বি এম নাজমুল হক বলেন, ‘আমরা এবার সাধারণ মানুষ ও ছাত্রদের মাঝে দুর্গত মানুষের জন্য এগিয়ে আসার যে স্পৃহা দেখেছি এই দেশপ্রেম ও ঐক্য যদি আমরা অব্যাহত রাখতে পারি তাহলে নতুন এক দেশ গড়তে পারব ইনশাআল্লাহ।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী সদস্যসচিব শাহ আব্দুর রহমান, এনামুল হক শিকদার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার ফারুক, মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব সেলিম খান, যুগ্ম সদস্যসচিব সফিউল বাসার, আহমেদ বারকাজ নাসির, কেফায়েত হোসেন তানভীর, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, যুবপার্টি মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন রমিজ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মশিউর রহমান মিলু, মাহমুদ আজাদ, শাহীনুর আক্তার শীলা, ফেরদৌসী আক্তার অপি, আমেনা বেগম, পল্টন থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সিসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত