দোকান কর্মচারী ফারুক হত্যা

হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ২৬৯ জনের নামে মামলা

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৪, ০৯:১৪ পিএম

কোটা ব্যবস্থার সংস্কার আন্দোলন চলাকালে নগরের মুরাদপুর এলাকায় গুলি করে ফার্নিচার দোকান কর্মচারী মো. ফারুক হত্যার ঘটনায় মামলা করেছে তার পরিবার। এতে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, রাউজানের সাবেক এমপি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীসহ ২৬৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ৪০/৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ আগস্ট) রাতে নিহত ফারুকের বাবা মো. দুলাল বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি সন্তোষ কুমার চাকমা। নিহত ফারুকের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ সৈয়দপুর গ্রামে। তিনি নগরের শুলকবহর এলাকার একটি ফার্নিচার দোকানে কাজ করতেন।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, আ জ ম নাছির উদ্দিন, সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, এসরারুল হক, জহর লাল হাজারি, পুলক খাস্তগীর, মো. মাসুম, নুর মোস্তফা টিনু, চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ, নগর যুবলীগ সভাপতি মাহাবুবুল হক সুমন ও সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম এবং নগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি।

মামলায় বলা হয়, ১৬ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি মুরাদপুর এন মোহাম্মদ প্লাস্টিকের বিপরীতে জুমাইরা বিল্ডিংয়ের সামনে যান। তখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনতার ওপর চালিয়ে অনেককে আহত করে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে ফারুক বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বুক, পেট ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত