সারা দেশের সব হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ চিকিৎসা সেবা চলবে নাকি বন্ধ থাকবে তা নিয়ে নতুন করে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল।
আজ রবিবার সকাল থেকে সব সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল ও প্রাইভেট চেম্বারে কমপ্লিট শাটডাউনের ডাক দেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। এরপরই ঘটনাটি নিয়ে দফায় দফায় চলে চিকিৎসক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, হাসপাতাল পরিচালক ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বৈঠক।
সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম ঢাকা মেডিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে জানান, চিকিৎসকরা তাদের শাটডাউন কর্মসূচি থেকে সরে এসেছেন। সিসিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
তবে এই বক্তব্যের পরেই সাংবাদিকদের সামনে হাজির হন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। তারা বলেন, স্বাস্থ্য উপদেষ্টার দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে তারা সম্পৃক্ত নন। তাদের দাবি, আগে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে রাত পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে বিজিবি মোতায়েন করার পর শুরু হয় চিকিৎসক সেবা।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে হাসপাতালে আসেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা চিকিৎসকদের সঙ্গে মিটিং করেন। পরে আহত চিকিৎসকদের দেখতে যান।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ সময় চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বললাম। আহত চিকিৎসকদের দেখে আসলাম। খুবই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসকদের দাবি যৌক্তিক। অবশ্যই আসামিদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনা হবে। চিকিৎসকদের সুরক্ষা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিইউবিটির ভিসির কাছে জানতে চাওয়া হবে এখানে হামলায় কারা ছিল। স্বাস্থ্য পুলিশ নিয়োগ করতে সময় লাগবে। জরুরি সেবা চলবে।
তবে আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা বলেন, আমরা যে কর্মবিরতিতে গিয়েছিলাম তখন আমাদের এখানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এসেছিলেন। জরুরি সেবা চালুর জন্য নিরাপত্তা চাওয়া হয়। তখন শুধুমাত্র বিভাগীয় হাসপাতালে নিরাপত্তা দেওয়ার মতো জনবল আছে বলে জানান তিনি। তাই বিভাগীয় শহরগুলোতে একজন চিকিৎসক, একজন সিকিউরিটি ফোর্স নিশ্চিত করে সেটা আর্মি, অথবা পুলিশ হতে পারে। যেসব হাসপাতালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে শুধুমাত্র সেসব হাসপাতালে জরুরি সেবা চালু থাকবে। কোনো ধরনের আউটডোর ও রুটিন সেবা চালু থাকবে না। তবে এখনই যদি আমাদের নিরাপত্তা বিষয়টি নিশ্চিত হয় তবে এখনই জরুরি বিভাগে কাজে ফিরব। তবে এটা শুধুমাত্র আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য। যাতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়। আগামী সাত দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে স্বাস্থ্য পুলিশ নিয়োগ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।
এ বিষয়ে রাতে চিকিৎসক আব্দুল আহাদ বলেন, আমরা বলেছিলাম যখনই আমাদের নিরাপত্তা দেবে তখনই চিকিৎসায় ফিরে যাব। আমাদের নিরাপত্তা দিয়েছে বিধায় কাজে ফিরেছি। হাসপাতালে বর্তমানে ইনডোর ও জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে আউটডোর বন্ধ থাকবে।
কনস্টেবল পদে শারীরিক পরীক্ষার সময় ১০ জনের মৃত্যু!
২৯০০ প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সার-বীজ বিতরণ
বিমানবন্দরে রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের স্যার বলতে হবে: জোভান