পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের নায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। অল-রাউন্ড পারফর্মেন্সে জিতেছেন সিরিজসেরার পুরস্কার। দেশের বাইরে এই প্রথম সিরিজসেরা হয়ে পুরস্কারের সমস্ত অর্থ তিনি ছাত্র-গণ আন্দোলনে নিহত একজন রিকশাচালকের পরিবারকে দেওয়ার ঘোষণা দেন। তবে সিদ্ধান্তটা মিরাজ আরও আগেই নিয়ে রেখেছিলেন।
দেশে ফেরার পর বিসিবির এক ভিডিওবার্তায় এই সিদ্ধান্তের কারণ নিয়ে মিরাজ বলেন, ‘টেস্টের শেষ দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছিলাম একটা ছেলে কান্না করেছে। ছেলেটার বয়স আমার ছেলের বয়সের মতোই। “আমার বাবা মারা গেছেন নামাজ পড়তে গিয়ে, গুলি খেয়ে মারা গেছেন, আমি রক্ত দেখেছি। আমার বাবা ফিরে আসে না”—ওই কথাগুলো আমার এখনো কানে বাজে।’
দুই টেস্টে ব্যাট হাতে ১৫৫ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ১০ উইকেট নেওয়া মিরাজ আরও বলেন, ‘ভিডিওটা দেখে আমার খুব খারাপ লেগেছিল। তখনই নিয়ত করেছিলাম। ম্যান অব দ্য সিরিজ হব কি না, তা তো জানতাম না। তবে দেশে এসে ওদের সাহায্য করব, সেটা তখনই নিয়ত করেছি। যেহেতু ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছি, সেটাই আমি উৎসর্গ করে দিয়েছি।’
এর আগে রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজসেরার পুরস্কার নিতে গিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মিরাজ বাংলায় বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়েছি। সম্প্রতি আমাদের দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হয়েছে, যেখানে অনেকে শহীদ হয়েছেন। এই আন্দোলনে একজন রিকশাচালক আহত হয়েছিলেন, পরে উনি মারা যান। এই ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কারটা তার পরিবারকে আমি দিতে চাই।’
মাসের সেরার লড়াইয়ে মহারাজের প্রতিদ্বন্দ্বী সিলস-ভেল্লালাগে
১১ ছক্কা মেরে হেটমায়ার বললেন ‘চেষ্টা করেও চার মারতে পারিনি’
এমন অর্জনের পরও হাথুরুসিংহের চাকরি যাবে?