৫০০ কোটি ছাড়াল
মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে চালকের আসনে থাকা ‘স্ত্রী ২।’ হরর কমেডি সিনেমা হিসেবে ইতিমধ্যে বলিউডের সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমা হয়ে উঠেছে এটি। বাণিজ্য ওয়েবসাইট স্যাকনিল্কের রিপোর্ট অনুসারে, মুক্তির ২২তম দিন ভারতে ২.১৩ কোটি (আয়ের গণনা এখনো চলছে) আয়ের মধ্য দিয়ে ভারতীয় বক্স অফিসে ৫০০ কোটির ক্লাবে প্রবেশ করেছে।
এর আগে ২১তম দিনে ৫.৬ কোটি রুপি আয় করে সিনেমাটি। এদিকে ২১ দিনে বিশ্বব্যাপী ৭১০ কোটির বেশি আয় করে নিয়েছে সিনেমাটি। বিশ্বব্যাপী আয়ে সানি দেওলের গত বছরের ব্লকবাস্টার ‘গাদার ২’-এর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এবার নজর অ্যানিমেলের দিকে। অ্যানিমেল বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল ৯১৭ কোটি রুপি। অ্যানিমেলের রেকর্ড ভেঙে ফেলতে পারে।
ফের অভিনয়ে ইচ্ছে
সাবেক লাক্স তারকা প্রসূন আজাদ ফারহান গাফফারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন। তাদের সংসারে রয়েছে একটি সন্তান। সম্প্রতি, জানিয়েছেন অভিনয় থেকে সরে যাওয়ার কারণ। প্রসূন বলেন, ‘সবার সবকিছু ফাঁস হয়ে যাচ্ছে, তাই আমি নিজেই আমার গোপন তথ্য ফাঁস করতে চলি এসেছি।’
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা স্বামীকে সুগার ড্যাডি সম্বোধন করে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘এটা আমার সুগার ড্যাডি। যে আমার জীবনে আসার পর কাজকর্ম বন্ধ করে দিচ্ছি। যারা মনে করছেন ডিরেক্টর গিল্ডের চক্রান্ত আর শিল্পীসংঘের নষ্টামির কারণে আমার অভিনয় জীবন শেষ, তাদের জানাতে চাই, কথাটা পুরোটা বেঠিক না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আনন্দে খুশিতে বছরখানেক পরপর কিছু কাজ করব এমনটাই ইচ্ছা ছিল।’
তাসরিফের আয়নাঘর
সংগীতশিল্পী তাসরিফ খান জানালেন, সেদিন সরকার পতন না হলে আয়নাঘরে থাকতেন তাসরিফ। এক ফেসবুক পোস্টে তাসরিফ লেখেন, ‘৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) স্বৈরাচারের পতন না হলে আজকে নির্ঘাত আয়নাঘরে
থাকতাম।’ তাসরিফের ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে সহমত প্রকাশ করেন তার অনুরাগীরা। আবার অনেকে তার ওই পোস্ট ঘিরে রসিকতাও করেন। শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট দেশ ছাড়ার পর আলোচনায় আসে সেই আয়নাঘর। তবে তাসরিফ খান আয়নাঘরের মুখ না দেখলেও এর চেয়ে কোনো অংশে কম কিছু দেখেননি তিনি এমনটাই দাবি তার। এজন্য খেসারতও দিতে হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের আশীর্বাদপুষ্টদের দ্বারা বহু হুমকি-ধমকি, নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাসরিফকে এমনটাই দাবি করছেন তিনি।
পালিয়ে গেলেন ঋতুপর্ণা
পশ্চিমবঙ্গের আরজি কর কাণ্ডের পর রাত দখল কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে গিয়েই প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাকে। অভিনেত্রী গাড়ি থেকে নামতেই শোনা গেল ‘গো ব্যাক... গো ব্যাক’ সেøাগান। তারপরও তিনি প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দ্রুত অভিনেত্রীকে গাড়িতে তোলেন দেহরক্ষীরা। এদিন রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেøাগানের জোর আরও বাড়তে থাকে কলকাতায়। ১৪ আগস্টের মতো শ্যামবাজারে এদিনও ছিল প্রচুর মানুষ। তাদের হাতে মোমবাতি, প্ল্যাকার্ড। হঠাৎ ঋতুপর্ণা এসেছেন শুনেই চিৎকার করে ওঠেন আন্দোলনকারীরা। কালো কাচের গাড়িতে গিয়ে তারা ধাক্কা মারতে থাকেন।
সাইমনের স্বীকারোক্তি
শোবিজ শিল্পীদের গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ‘আলো আসবেই’ এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। ছাত্র আন্দোলনকে দমাতে গ্রুপটি খোলা হয়। এই গ্রুপের সদস্যরা নজর রাখত ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ওপর। এই গ্রুপের প্রায় দেড়শ সদস্যের মধ্যে ছিলেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিকও। ফেসবুকে সাইমন বলেন, ‘মন্তব্য করার আগে পড়বেন প্লিজ! এটা মনে হয় জানেন, যেকোনো হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আপনি যতজনকে খুশি অ্যাড করতে পারেন। বিষয় হচ্ছে, আপনি সে গ্রুপে কী লিখেছেন বা আপনি অ্যাকটিভ ছিলেন কি না? আপনারা মনে হয় দেখেছেন, আমাকে ওনারা অ্যাড রেখেছিলেন, কিন্তু আমার কোনো রিঅ্যাকশন ছিল না। আমার ভুল হয়েছে, ওনারা আমাকে অ্যাড করার পর আমি কেন লিভ নিলাম না।’
