চট্টগ্রামের শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরণ

চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ একজনের মৃত্যু, ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

  • রোববার দিবাগত রাতে বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহমেদ উল্লাহ মারা যান
  • বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনো সাতজন চিকিৎসাধীন আছেন এবং সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১১:১৩ এএম

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে এসএন করপোরেশন নামের ডকইয়ার্ডে বিস্ফোরণের ঘটনায় আশঙ্কাজনক ৮ জনকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়েছে। এদের মধ্যে আহমদুল্লাহ(৩৮) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ভর্তি রয়েছেন বাকি ৭ জন।

শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে মারা যান আহমদুল্লাহ। তার শরীরের ৯০ শতাংশ হয়েছিল।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম জানান, রাতে অ্যাম্বুলেন্স করে ৮ জনকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। তবে আনার পরপরই আহমদুল্লাহকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করা হয়।

তিনি আরও জানান, বাকি ৭ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে ৫ জনকে আইসিইউতে এবং দু'জনকে এইচডিইউ'তে রাখা হয়েছে। ২৫ থেকে ৮০ শতাংশ দগ্ধের পাশাপাশি তাদের সবারই শ্বাসনালি পুড়ে গেছে।

চিকিৎসাধীন দগ্ধরা হলেন, জাহাঙ্গীর আলম (৪৮) ৭০ শতাংশ দগ্ধ, আবুল কাশেম (৩৯) ৭০, বরকাতুল্লাহ (২৩) ৬০, আনোয়ার হোসেন (৪৫) ২৫, খাইরুল ইসলাম (২১) ৮০, আল-আমিন (২৩) ৮০ ও হাবিব (৩৫) ৪৫ শতাংশ দগ্ধ। এদের মধ্যে আনোয়ার ও হাবিব এইচডিইউতে আর বাকি ৫ জন আইসিইউতে রয়েছেন।

জানা যায়, গতকাল শনিবার বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর সাগর উপকূলে অবস্থিত শওকত আলী চৌধুরী মালিকানাধীন এসএন করপোরেশনের জাহাজ ভাঙা ইয়ার্ডে স্ক্র্যাপ জাহাজের পাম্প রুমে কাটিং কাজ করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে গুরুতর দগ্ধ ও আহত হন ১২ জন। চিকিৎসার জন্য প্রথমে তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৮ জনকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এই ঘটনায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দীনকে প্রধান করে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত