টিউশনির বকেয়া টাকা চাওয়ায় বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা তানিয়া আলমের বিরুদ্ধে। এ সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে গেলে তার সহপাঠীদের ওপরেও হামলা করেন সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় পাঁচজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
গতকাল (৯ সেপ্টেম্বর) সোমবার সন্ধায় যশোর শহরের কাঁঠালতলার আবাসিক এলাকার একটি বাসায় এই ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় দিবাগত রাত ১ টায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নেছার বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নেছার বলেন, আমি তানিয়া আলমের বাড়িতে তার মেয়েকে প্রাইভেট পড়াতাম। পড়ানো বাবদ ১৬,০০০/- (ষোল হাজার) টাকা পাই, বারবার চাওয়ার পরেও তিনি আমাকে বিভিন্ন কথা বলে ঘুরাতে থাকে। একপর্যায়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার সময় তানিয়া আলম আমার বন্ধু মুরসালিনকে (২২) ফোনে জানায় যে, তানিয়া তার বাড়িতে আমাকে যেতে বলেছেন। আমি আমার বন্ধু শান্ত (২২) ও আমার স্ত্রীকে নিয়ে সেখানে যাই। এরপর তানিয়া আমাকে ৮,০০০/- (আট হাজার) টাকা দিতে চাইলে আমি পুরো টাকা দিতে বলি। তখন তানিয়ার সাথে আমার তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীদের ডেকে আমাদের উপর হামলা চালায়। ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষাথীরা আমাদের উদ্ধার করতে গেলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্যাম্পাস থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে আসেন এবং বিচারের দাবিতে ঐ নারীর বাড়ির সামনেই বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরবর্তীতে যশোরের ৫৫ পদাতিকের সেনাবাহিনীর একদল সদস্য এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। এসময় অভিযুক্ত তানিয়া আলমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
রুম দখল করতে আসা ছাত্রদল নেতাকে বের করে দিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা