লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলায় সোমবার থেকে হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। আবার পালাতে গিয়েও বিপাকে পড়ছেন তারা। কারণ দক্ষিণ লেবাননের মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের চাপে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আর এর মধ্যেই চলছে আকাশপথে হামলা। খবর আল জাজিরার।
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৫০ জন শিশু এবং ৯৪ জন নারী রয়েছেন। এছাড়াও আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১ হাজার ৮৩৫ মানুষ।
এছাড়া জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র ম্যাথিউ সল্টমার্শ জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, এ হামলার কারণে গতকাল ও রাতভর কয়েক হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে এবং এ সংখ্যা বাড়ছে। তিনি আরো বলেন, বেসামরিক মানুষের উপর হামলা গ্রহণযোগ নয়।
এদিকে ইসরায়েলের এমন হামলার পর লেবানন এখন যুদ্ধের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে পরিণত হয়েছে। লেভান্ট ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সামি নাদের মত দিয়েছেন, ইসরায়েলের যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু গাজা থেকে সরে গেছে। লেবাননের পরিস্থিতিকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন সামি। কারণ ইসরায়েলের হামলা এবং গোলার মুখে পড়েছে লেবাননের বেসামরিক মানুষেরাও। এটি এখন স্পষ্ট যে, এই যুদ্ধের এক নম্বর ক্ষেত্রটি এখন লেবানন। এটি এখন আর গাজা নয়।
লেবাননে ইসরায়েলের সদ্য হামলাকে একটি নতুন ‘টার্নিং পয়েন্ট’ আখ্যা দিয়ে সামি বলেছেন—এত দিন লেবাননে ইসরায়েলের সব হামলা এবং সামরিক ব্যস্ততা হিজবুল্লাহ গেরিলাদের কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। কিন্তু এখন এই হামলার মুখে পড়েছে বেসামরিক মানুষরা। ইতিমধ্যে বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ হতাহত হয়েছে। বিধ্বস্ত অঞ্চলগুলো থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটছে হাজার হাজার মানুষ। ফলে এটি একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ।
সু চিকে ভ্যাটিকানে আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাব পোপের