লেবাননে সংঘাত বাড়লেও গাজার যুদ্ধ থামেনি। অঞ্চলটিতে যুদ্ধবিরতির জন্য কয়েক মাসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অনেকটা ব্যর্থ হয়েছে। ইসরায়েল হামাসের পরাজয় ছাড়া যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিকে সামরিক অভিযানে নিহত ৮৮ ফিলিস্তিনির লাশ কন্টেইনারে করে ফিরিয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ট্রাকবোঝাই একটি কন্টেইনারে লাশগুলো গাজায় পাঠানো হয়।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের নাম, বয়স বা তারা কোথায় মারা গেছে সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।তাই ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় লাশ এই কনটেইনার গ্রহণ করেনি।
এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘লাশগুলোর পূর্ণাঙ্গ তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত কন্টেইনার গ্রহণের প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। যাতে তাদের স্বজনরা তাদের শনাক্ত করতে পারেন।’
গাজা সরকারের গণমাধ্যম কার্যালয়ের প্রধান ইসমাইল আল-থাওয়াবতা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ট্রাকের চালককে মৃত ফিলিস্তিনির লাশ ফিরিয়ে নিতে বলেন। পরে ট্রাকটি হাসপাতাল ছেড়ে চলে যায়।’
তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী কাজ করতে হবে। এমনভাবে কাজ করতে হবে যাতে শহীদ ও তাদের পরিবারের মর্যাদা রক্ষা হয়।’
এদিকে রেডক্রস জানিয়েছে, তারা এই স্থানান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত নয়। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি সব পরিবার তাদের প্রিয়জনদের খবর পাওয়ার এবং তাদের ঐতিহ্য অনুসারে সম্মানজনকভাবে কবর দেওয়ার অধিকার রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে, সশস্ত্র সংঘর্ষের সময় যারা মারা গেছে তাদের অবশ্যই মর্যাদার সাথে সঠিকভাবে হস্তান্তর করতে হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইনে তাদের অনুসন্ধান, সংগ্রহ ও সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন, যা লোকজন যাতে নিখোঁজ না হয় তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
গাজায় ধ্বংসস্তূপ, রাস্তা ও বিধ্বস্ত ভবনে নিখোঁজ লোকজনের সন্ধানে নিয়োজিত সিভিল ইমার্জেন্সি সার্ভিস জানিয়েছে, এক বছর ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
বাইডেন-ইউনূসের বৈঠকে যে বার্তা পেল বাংলাদেশ
রচনা ব্যানার্জিকে জাদুঘরে রাখা উচিত: বিজেপি নেতা
মোংলা বন্দর দ্রুত সম্প্রসারণ করতে চায় ভারত