দেশে একটা সুস্থ উদারপন্থী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দেখতে চাই মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদ্য সাবেক সদস্য সচিব আমিনুল হক।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে আজ রবিবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে পশ্চিম শেওড়াপাড়ায় বৈষম্যবিরোধী গণআন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হানিফ শাহরিয়ারকে দেখতে গিয়ে তিনি একথা বলেন। এ সময় শাহরিয়ারের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
তিনি বলেন, আমরা গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যে লড়াইয়ে নেমেছি তা কিন্তু শেষ হয়নি। ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন হলেও, আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারিনি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সেই লড়াই তখনই শেষ হবে, যখন সুষ্ঠু পরিবেশে সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আমিনুল হক বলেন, আমরা আবারও দেশে সন্ত্রাসের রাজনীতি দেখতে চাই না। স্বৈরাচার আওয়ামী সন্ত্রাসী ও তাদের দোসররা এতদিন জনগণের ওপর জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন চালিয়েছে। যারা দুর্নীতি করেছে, দেশের অর্থ লুটপাট করেছে এমন পরিবেশে আর আমরা ফিরে যেতে চাই না।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকার ও তার দোসররা ছাত্র-জনতার ওপর পাখির মতো গুলি করে হত্যা করেছে। গুলিতে অসংখ্য ছাত্র-জনতা আহত হয়েছে। এই খুনী হাসিনার বিচার না হলে শহীদদের আত্মা কখনও শান্তি পাবে না। তিনি দ্রুত শেখ হাসিনাকে দেশে এনে তিনিসহ তার দোসরদের বিচার দাবি করেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহসভাপতি মো. ইব্রাহিম খলিল, বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাবতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক নতুন, ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক ফেরদৌস, গাবতলী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মুহব্বত আলী, স্বেচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক মিজানুর রহমান সজীবসহ প্রমুখ।
রিজার্ভ কমছে, সংকট কাটাতে ভারতের সহায়তা চান মুইজ্জু!
‘আমাগের জন্য কিছু নিয়ে আইছেন?