টেস্ট দল থেকে সাবেক অধিনায়ক বাবর আজমের বাদ পড়া নিয়ে পাকিস্তানের ক্রিকেটে তুমুল বিতর্ক চলছে। একপক্ষ মনে করছে, সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের বদলে বাবরকে এভাবে বাদ দেওয়া উচিত হয়নি। এই দলের একজন ফখর জামান। পাকিস্তানের এই ওপেনার বাবর আজমকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ করেছিলেন। যে কারণে তাকে শোকজ করা হয়েছে।
দুই বছর ধরে ফর্মে নেই বাবর আজম। যে কারণে দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ দুই টেস্টের দল থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পিসিবি অবশ্য দাবি করেছে বাবরকে ‘বিশ্রাম’ দেওয়া হয়েছে। তাকে বাদ দেওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সমালোচনা করেছিলেন ফখর। পিসিবি ফখরের এই সমালোচনা সইতে পারেনি।
ফখর লিখেছিলেন, ‘আমরা যদি দলের প্রধান ব্যাটসম্যানকে বসিয়ে রাখার চিন্তা করি, যে কি না তর্কযোগ্যভাবে পাকিস্তানের সেরা ব্যাটসম্যান, এটা দলের মধ্যে গভীর নেতিবাচক বার্তা দেয়। এখনো প্যানিক বাটনে চাপ দেওয়াটা এড়ানোর সময় আছে। প্রধান খেলোয়াড়দের অবমূল্যায়ন না করে তাদের রক্ষায় আমাদের মনোযোগ দিতে হবে। বাবর আজমকে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে শুনছি, এটা উদ্বেগজনক। ভারত তো বিরাট কোহলিকে ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের খারাপ সময়ের জন্য বেঞ্চে বসায়নি। ওই সময় কোহলির গড় ছিল যথাক্রমে ১৯.৩৩, ২৮.২১ এবং ২৬.৫০।’
কয়েকদিন আগেও পিসিবির পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন ফখর। এ নিয়ে তার ওপর পিসিবি আগে থেকেই ক্ষিপ্ত ছিল। এবার টানা ১৮ টেস্ট ইনিংসে ফিফটি না পাওয়া বাবরের পাশে দাঁড়ানোয় আর চুপ থাকেনি পিসিবি। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ৭ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
‘বাবরকে বাদ দেওয়া হয়নি, বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে’
'টাইমড আউট' ছাপিয়ে সাকিব-ম্যাথিউজ এখন সতীর্থ
কিংবদন্তিদের বিদায়ের রাতে শেষ আটে জার্মানি