প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়া করে নিজের হাত কেটে ফেলেছিলেন প্রেমিকা। তার বাড়ি গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান প্রেমিক। প্রেমিকাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে নিজে অসুস্থ হয়ে পড়েন যুবক। চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও মারা যান তিনি।
শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দিল্লির জগৎপুরী এলাকায়। চিকিৎসকরা জানান, হার্টঅ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে ২৩ বছরের ওই যুবকের। তবে তার প্রেমিকার শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, মৃত যুবকের নাম অর্জুন। দিল্লির চাঁদনিচক পার্ক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন তিনি। শুক্রবার রাতে প্রেমিকার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় অর্জুনের। তার পর যে যার বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়ি গিয়ে নিজের হাত কেটে ফেলেন অর্জুনের প্রেমিকা। তার পর নিজের রক্তাক্ত হাতের ভিডিও করে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান প্রেমিককে।
সেই ভিডিও দেখে চমকে যান যুবক। সঙ্গে সঙ্গে প্রেমিকার মাকে ফোন করে পুরো ঘটনার কথা বলেন। সময় নষ্ট না করে তড়িঘড়ি করে প্রেমিকার বাড়িতে যান। প্রেমিকাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে রাত পৌনে ৩টার দিকে গুরু তেজ বাহাদুর হাসপাতালে নিয়ে যান অর্জুন। হাসপাতালে ঢুকেই একজন নার্সকে সংক্ষেপে পুরো ঘটনার কথা জানিয়ে তাড়াতাড়ি প্রেমিকার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, নার্সের সঙ্গে প্রায় কাঁদতে কাঁদতে কথা বলতে বলতে ওই যুবক একবার প্রেমিকার হাতের দিকে তাকান। তার পরেই হাসপাতালের মেঝেতে পড়ে যান অর্জুন। তরুণীর পাশাপাশি তার প্রেমিকেরও তড়িঘড়ি চিকিৎসা শুরু করেন চিকিৎসকরা। কিন্তু অর্জুনকে বাঁচানো যায়নি।
অর্জুনের বন্ধুরা জানান, ওই যুগলের বেশ কিছু দিনের সম্পর্ক ছিল। অর্জুন পড়াশোনা করতেন। তার প্রেমিকাও আইনের ছাত্রী। তবে বেশ কিছু দিন দুজনের বনিবনা হচ্ছিল না। কোনও একটি বিষয়ে শুক্রবার রাতে দুজনের কথা কাটাকাটি হয়। সেই সময় অর্জুনের এক আত্মীয় নাকি ওই তরুণীকে বকাবকি করেন। অপমানিত বোধ করে সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন তরুণী। তার পরেই নিজের হাত কেটে ফেলেন তিনি।
চলন্ত গাড়ির চাকা খুলে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর