গেল দুই দশকের বেশি সময় ধরে টেনিসে রাজত্ব করেছেন তিন কিংবদন্তি। রজার ফেদেরারকে দিয়ে শুরুর পর দৃশ্যপটে আসেন রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জোকোভিচ। এই তিন কিংবদন্তি মিলে জিতেছেন ৬৬টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম!
২০২২ সালে ফেদেরার অবসরে যান। আগামী মাসে হতে যাওয়া ডেভিস কাপ দিয়েই পেশাদার টেনিসকে বিদায় জানাবেন নাদালও। জকোভিচের বয়স ৩৭। তিনিও হয়তো ক্যারিয়ারের শেষের দিকে চলে এসেছেন।
টেনিস ক্যারিয়ারে ফেদেরার-নাদাল ৪০ ম্যাচে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছেন। নাদালের ২৪ ম্যাচ জয়ের বিপরীতে ফেদেরার জয় ১৬ বার। আর জকোভিচের সঙ্গে নাদাল খেলেছেন ৬০ ম্যাচ। তাতে ২৯ জয়ের বিপরীতে হেরেছেন ৩১ ম্যাচ।
নাদাল নিজের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বেছে নিয়েছেন ফেদেরারকে। তবে সেরা বলেছেন জকোভিচকে। তাকে সেরা বলার কারণও জানিয়েছেন নাদাল।
এক সাক্ষাৎকারে নাদাল বলেন, 'আমি অন্য যে কারও চেয়ে জোকোভিচের বিপক্ষে বেশি ম্যাচ খেলেছি। কিন্তু আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ফেদেরার। আমি যখন খেলতে আসি, ফেদেরার আগে থেকেই সেখানে ছিল এবং সে এক নম্বর ছিল। আমার ক্যারিয়ারের প্রধান বছরগুলোতে রজার (ফেদেরার) এবং নোভাক (জকোভিচ) ছিল প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে শুরুর দিকে যে সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল রজারের সঙ্গে।'
এরপর জকোভিচকে নিয়ে বলেন, 'নোভাকের সঙ্গে চ্যালেঞ্জটা অবিশ্বাস্য। সে এমন খেলোয়াড়, যে সব সময় (খেলার) মানটা অনেক উঁচুতে রাখে এবং প্রতিবছর উন্নতি করে। সংখ্যা বলছে সেই সেরা, এর অর্থ তার টেনিসও সেরা। কম চোটপ্রবণও। এ কারণেই সে সেরা এবং এটা সে অর্জন করেছে।'
এককে ফেদেরার জিতেছেন ২০ গ্র্যান্ড স্ল্যাম, নাদাল জিতেছেন ২২টি, জকোভিচ ২৪ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন। জকোভিচের সামনে সুযোগ থাকছে গ্র্যান্ড স্ল্যাম সংখ্যাটা আরও বাড়ানোর।
বাফুফের ‘কমিশন বাণিজ্য’ নিয়ে যা বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা
সাকিবহীন টেস্টে সাকিবকে ছাড়িয়ে গেলেন তাইজুল
৬ ছক্কায় সাব্বিরের ১৫০, সেঞ্চুরি মাহিদুলেরও