মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম কাজ শহীদ পরিবারকে সহায়তা করাসহ আহতদের পরিপূর্ণরূপে চিকিৎসা প্রদান করা। এখনও অনেক ছাত্র-জনতা হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রয়েছে, ছাত্রদের সঙ্গে সাধারণ অনেক মানুষও নিহত হয়েছেন।
আজ শনিবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব ডিম এবং বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নটি এখন অনেকভাবেই আলোচিত হচ্ছে। ষাটের কিংবা সত্তর দশকে এক সময় বলা হতো সবুজ বিপ্লবের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করা যাবে। পরবর্তীতে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা শুধু খাদ্য উৎপাদন নয় খাদ্য নিরাপত্তার কথাও বলে আসছে।
ফিড আমদানির কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ফিডের সঙ্গে অনেক ইনগ্রিডিয়েন্টস আমদানি করতে হয়। ফিড যদি নিরাপদ না হয় তাতে যদি এন্টিবায়োটিক থাকে আমাদের শরীরও নিরাপদ থাকবেনা। নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ এখন সময়ের দাবি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় নিরাপদ খাদ্যে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিতে হার্বিসাইড বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, হার্বিসাইড ব্যবহারের ফলে গরু-ছাগল মারা যাচ্ছে, আর এটা বন্ধ না করলে কোনো অবস্থাতেই আমরা সুস্থ ও নিরাপদ থাকতে পারব না।
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. খালেদ হোসেনের সভাপতিত্বে চিফ প্যাট্রন হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঞাঁ, বিশেষ অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. জাকারিয়া, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হক, আইইডিসিআর’র পরিচালক প্রফেসর ডা. তাহমিনা শীরিন, গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন বিপিআইসিসি’র প্রেসিডেন্ট শামসুল আরেফিন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মো. মাহমুদুল হাসান শিকদার। এ সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, বিজ্ঞানী এবং সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিলেটে গিয়েও ছন্দে ফেরা হলো না জাকিরের
সহ-সভাপতি পদে হেরে গেলেন দুই সাবেক ফুটবলার