রাজধানীর পল্লবীর বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় একদল সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে আয়েশা (৩৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। রাস্তা থেকে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলি লাগে তিনতলায় নিজের ঘরে থাকা ওই নারীর মাথায়।
গুলিটি এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গেলে ঘরেই মৃত্যুর কোলে লুটিয়ে পড়েন আয়েশা। নিহত আয়েশা দুই সন্তানের জননী। তার দেড় বছর ও তিন বছর বয়সী দুটি শিশু সন্তান আছে।
বুধবার দুপুরের এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মাকছুদের রহমান। তিনি বলেন, কী কারণে এই ঘটনা সৃষ্টি হয়েছে সেটা আমরা প্রাথমিকভাবে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি মাদক ও চাঁদাবাজি সংক্রান্ত ঘটনা। একদল সন্ত্রাসী সেখানে এসেছিল একজনকে খুঁজতে। তাকে সন্ত্রাসীরা তখন পায়ও নাই। এমন সময় স্থানীয়রা সন্ত্রাসীদের ঘিরে ফেলে। সেখান থেকে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার জন্য আতঙ্ক সৃষ্টি করতে গুলি ছোড়ে। সেই গুলি গিয়ে লাগে আয়েশা আক্তারের মাথায়। আয়েশা ওই এলাকার একজন সাধারণ গৃহিণী।’
তবে স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, নিচে একদল সন্ত্রাসী মামুন নামে এক যুবককে মারধর করছিল। এসময় সন্ত্রাসীরা মামুনের কাছে চাঁদাও দাবি করছিল। তাকে বাঁচাতে কয়েকজন স্থানীয় নারী-পুরুষ এগিয়ে গেলে, সন্ত্রাসীরা মামুনকে লক্ষ করে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। সেই গুলি লাগে তিনতলায় থাকা আয়েশার মাথায়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী এক নারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এটি একটি চাঁদাবাজির ঘটনা। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এখন এটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য মাদকের তকমা লাগিয়েছে। কিন্তু ঘটনাটি চাঁদাবাজির। শুনছি যে সন্ত্রাসীরা এসেছিল, তারা ভাষানটেক এলাকার এক কুখ্যাত সন্ত্রাসীর লোক। ওই সন্ত্রাসীর নাম মমিন। ঘটনার সময় ২০-৩০ জন মিলে মামুনকে মারধর করছিলেন। মারধরকারীদের মধ্যে দুই থেকে তিনজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র এবং কয়েকজনের হাতে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্র ছিল।
রাস্তা পারাপারের সময় বাসচাপায় ববি ছাত্রী নিহত