বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, জাতীয় বিপ্লবী সংহতি দিবস উপলক্ষে আমরা আজকে যে র্যালির আয়োজন করেছি সেখানে আমরা সবাই মিলে হেঁটে নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পর্যন্ত যাব। আজকের র্যালির যে ঐক্য তা শুধু বিএনপির জন্য নয়, এই র্যালি সাধারণ মানুষের।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) নয়াপল্টনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও গণসংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত গণ-র্যালি শুরুর আগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজকের এই র্যালির ঐক্য শুধু বিএনপির জন্য নয়, এই র্যালি সাধারণ মানুষের। যেভাবে সিপাহী জনতার বিপ্লবের সময় জনতা র্যালি করেছিল। একইভাবে আজকের এই র্যালি করা হচ্ছে। এই র্যালি উপলক্ষে সাধারণ জনতাকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
এদিকে র্যালিকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় এসে সমবেত হন। এ ছাড়া ঢাকা, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেত হয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টনে প্রবেশমুখের সড়কটিতে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। তবে তার বিপরীত সড়কটি খোলা। এসব দেখভাল করছেন ট্রাফিকের সদস্যরা। পাশে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালের সামনে রাখা হয়েছে সাঁজোয়া যান ও জলকামান। তার বিপরীত সড়কে শ্রম আদালত ভবনের সামনে একটি পিকআপে পুলিশ সদস্যরা প্রস্তুত রয়েছেন। ওয়াকিটকি হাতে পুলিশের সদস্যরা বিএনপির শোভাযাত্রায় আসা কর্মীদের নানাভাবে সহযোগিতা করছেন।
এদিকে শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে যাতে সড়কে নগরবাসীর যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয়, সে জন্য মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের শেষ প্রান্ত পশ্চিমের মোড়ে ডাইভারশন দেওয়া হয়েছে। ফলে গাবতলী থেকে আসা গাড়িগুলো জাতীয় সংসদের সামনের সড়কে এসে ঘুরে সেদিকে যাচ্ছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের ডিসি শাহরিয়ার হাসান বলেন, শোভাযাত্রাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ যাওয়া পর্যন্ত পুলিশি নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাকিস্তানের জয়ে রেকর্ড বইয়ে ওলটপালট
বিএনপির র্যালি শুরু