প্রায় তিন দশকের দাম্পত্য জীবনে বড় ধাক্কা। গতকাল মঙ্গলবার বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান ও সায়রা বানু। এর পর থেকেই আলোচনা চলছে, হঠাৎই কেন বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন এই দম্পতি।
১৯৯৫ সালের মার্চ মাসে সায়রা বানুকে বিয়ে করেন এ আর রহমান। প্রেম করে নয়, পারিবারিক আয়োজনেই বিয়ে হয় তাদের। স্ত্রী, দুই কন্যা এবং এক পুত্রকে নিয়ে সংসার ছিল রহমানের। প্রায় তিন দশকে এসে ভেঙে গেল সেই সংসার।
রহমান জানিয়েছিলেন, মায়ের পছন্দে বিয়ে করেছিলেন সায়রাকে। বলেছেন, সারা জীবন সঙ্গীত, সুরের মধ্যেই ডুবেছিলাম। প্রেম, বিয়ে, সংসারের কথা মাথায় আসেনি। কাজের সূত্রে অনেক নারীর সঙ্গে আলাপ হয়েছে। তাদের শ্রদ্ধার চোখে দেখেছি। ১৯৯৪ সালে আমার বয়স ২৭ বছর। হঠাৎ অনুভব করি আমি বুড়া হয়ে যাচ্ছি। বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে। বিয়ে করতে হবে। তখন মা মেয়ে দেখা শুরু করল।
রহমান বলেন, চেন্নাইয়ের সুফি সাধক মোতি বাবার মাজারে গিয়েছিলেন তার মা। সেখানেই প্রথম সায়রাকে দেখেছিলেন তিনি। আসলে মাজার থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে ছিল সায়রার বাড়ি। তাকেই পুত্রবধূ পছন্দ করেছিলেন রহমানের মা।
১৯৯৫ সালের ৬ জানুয়ারি সায়রার সঙ্গে প্রথম দেখা করেন রহমান। খুব দীর্ঘ সাক্ষাৎ ছিল না। সাধারণত ফোনেই কথা বলতেন তারা। বিয়ের আগে সায়রা খুবই শান্ত ছিল বলে জানান রহমান। অবশ্য বিয়ের পর নাকি তার শান্ত ভাব উধাও হয়ে যায়। সাধারণত ইংরেজিতে কথা বলতেন। রহমান ইংরেজি ভাষায় তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।
রহমান বলেন, আমরা দক্ষিণ ভারতে থাকতাম। সায়রার জন্ম গুজরাটে। আমার এবং সায়রার পরিবারের আচার-সংস্কৃতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই বিয়ের পর মানিয়ে নিতে একটু সমস্যা হয়েছিল। আমার প্রতি মায়ের প্রবল অধিকার কাজ করত। তবে প্রথম সন্তানের জন্মের পর সব ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যায়।
এ আর রহমানের ডিভোর্স, যা বলছেন সায়রা বানু
মোহিনীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত এ আর রহমান!