সাফজয়ী নারী ফুটবল দলে সাতক্ষীরার তিন কৃতি খেলোয়াড়কে সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন, মাসুরা পারভিন ও আফঈদা খন্দকার প্রান্তিকে দেওয়া হয় সংবর্ধনা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসে তাদের কণ্ঠে সুর আক্ষেপের। যে জেলা থেকে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় তৈরি হচ্ছে সেখানে উপযুক্ত স্টেডিয়াম না থাকার আক্ষেপের কথা উঠে এলো আফঈদা খন্দকার প্রান্তির মুখ থেকে। সে কথাতেই বেদনাহত সাবিনা ও মাসুরা দুজনই। সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা স্টেডিয়ামের।
তারা বলেন, ‘জেলায় মেয়েদের বেড়ে ওঠার মতো নেই কোনো স্টেডিয়াম’। তারা চায় একটা উপযুক্ত স্টেডিয়াম তথা খেলার মাঠ। যেখান থেকে বেড়ে উঠতে পারে আরও অনেক মেয়ে খেলোয়াড়।
জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও প্রশাসনের আয়োজনে এই সংবর্ধনায় তাদের প্রত্যেকের হাতে সমানভাবে লাখটাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। আর এই সংবর্ধনায় আপ্লুত জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কন্যা শিশু কিশোররা। সংবর্ধনায় খেলোয়াড়দের পরিবাররাও অনুপ্রাণিত হয়। গর্বিত হওয়ার কথাও প্রকাশ করেন। খেলোয়াড়দের মা বাবা ও বোনরা।
আফঈদা খন্দকার প্রান্তি বলেন, অনেক কষ্ট করে তাদের সাতক্ষীরার মতো দক্ষিণ পশ্চিমের শেষ জেলা থেকে একজন আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হয়ে বেড়ে ওঠা কোনোভাবেই সহজ কথা না। অথচ, এই জেলা থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটসহ নানা খেলায় বিশ্ব নৈপুন্য দেখাচ্ছে সাতক্ষীরার ছেলে-মেয়েরা। অথচ এই জেলায় নেই একটি পূর্ণ স্টেডিয়াম। এজন্য দরকার একটি স্টেডিয়াম। তিনি সরকারের কাছে শুধু পূর্ণ একটি স্টেডিয়াম নয় মেয়েদের পৃথক স্টেডিয়াম দরকার।
সাতক্ষীরায় পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম, সুইমিংপুল ও জিমনিসিয়াম না থাকাকে হতাশাব্যাঞ্জক আখ্যা দিয়ে দ্রুত এগুলো নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাক হোসেন। তিনি বলেন, ভালো খেলোয়াড় হতে সব প্রতিকূলতাকে মাড়িয়েই নিজের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হতে হবে।
সেনাকুঞ্জে এক মঞ্চে খালেদা জিয়া-মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ
গণমাধ্যমকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে নানা উদ্যোগ