থাইল্যান্ডের ভেজথানি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত মোহাম্মদ মুরাদ ইসলাম ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন সেখানকার চিকিৎসকরা। তিনি ঠিকমতো সেখানে পৌঁছেছেন। গতকাল বুধবার শেষ রাতের দিকে বেশ জ্বর এসেছিল তার।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার দিকে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়। পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণে জ্বর এসেছিল। তবে এখন ভালো আছেন।
রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস (নিনস) ও হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবির হিমুকে মুরাদের বাবা আমিনুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন। পরে ডা. হিমু বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে মুরাদের চিকিৎসার সর্বশেষ তথ্য জানান। মুরাদ নিনস হাসপাতালে তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ডা. হুমায়ুন কবির হিমু বলেন, ভেজথানি হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলেছেন, মুরাদের কিছু টেস্ট করতে হবে। এরপর জানা যাবে তার কোনও অপারেশন লাগবে কি না ও কি ধরনের থেরাপি লাগবে। আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে এসব জানা যাবে। তবে মুরাদের চিকিৎসায় লম্বা সময় লাগবে বলেও জানানো হয়েছে।
গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে এগারোটায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইটে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন মুরাদ। উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার তাকে থাইল্যান্ডে নিয়ে গেছে। গলায় গুলিবিদ্ধ মুরাদের হাত ও পা সচল করতে রোবোটিক ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন। কিন্তু দেশে রোবোটিক ফিজিওথেরাপির ব্যবস্থা নেই।
মুরাদ ইসলাম গুলশানের একটি ক্যাফের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৮ জুলাই মিরপুরের সেনপাড়ায় পানির ট্যাংক এলাকায় পুলিশের গুলিতে তিনিসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এতে ঘটনাস্থলে দুইজনের মৃত্যু হলেও মুরাদ বেঁচে যান। গুলিটি তার গলার ডান পাশে ঢুকে বাম পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। পরে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে প্রথমে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতাল ও পরে নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত তিন মাস ধরে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মা-মেয়েকে এসিড নিক্ষেপ করে স্বর্ণের চেইন ছিনতাই
নেদারল্যান্ডসে গেলেই গ্রেপ্তার করা হবে নেতানিয়াহুকে