চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল ২৯ নভেম্বর, শুক্রবার একটি বোর্ড মিটিং ডেকেছে। পাকিস্তানে এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও ভারতের অংশগ্রহণ নিয়ে জটিলতার কারণে এই বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। বৈঠকটি ভার্চুয়াল ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হবে এবং সব বোর্ড সদস্যদের এজেন্ডা সরবরাহ করা হয়েছে।
১২ পূর্ণ সদস্য, ৩ সহযোগী সদস্য এবং একজন স্বাধীন পরিচালকসহ ১৬ সদস্যের আইসিসি বোর্ড এই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বৈঠকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে: ১. হাইব্রিড মডেল গ্রহণ, ২. টুর্নামেন্ট অন্য দেশে স্থানান্তর, ৩. টুর্নামেন্ট স্থগিত করা।
তবে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) স্পষ্টভাবে হাইব্রিড মডেলের বিরোধিতা করেছে। এই মডেলে ভারতের ম্যাচগুলো অন্য দেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
ভারত সরকার তাদের জাতীয় দলকে পাকিস্তানে পাঠানোর অনুমতি দেয়নি, যা আইসিসি-কে দুই সপ্তাহ আগে জানানো হয়েছে। পিসিবি এর জবাবে আইসিসি-কে একাধিক প্রশ্ন পাঠালেও এখনো কোনো উত্তর পায়নি।
বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচ ভারত-পাকিস্তান। এই ম্যাচের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। তাই এ থেকে আয়ও হয় প্রচুর। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির টিভি সম্প্রচারকারীরা এই ম্যাচ ছাড়া কোনো সূচি মানতে রাজি নয় এবং তারা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে।
এদিকে টুর্নামেন্ট পাকিস্তানের লাহোর, করাচি এবং রাওয়ালপিন্ডিতে আয়োজনের ব্যাপার পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নকভি দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। আবার ভারতীয় বোর্ড এখনো এ বিষয়ে কোনো নমনীয়তা দেখায়নি।
২৯ নভেম্বরের বৈঠকের পরে টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ স্পষ্ট হবে। এটি আইসিসি চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলের শেষ বোর্ড মিটিং। ১ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় বোর্ডের সেক্রেটারি জয় শাহ আইসিসির চেয়ারম্যানের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
আইপিএল ভাগ্যই কি হঠাৎ সুযোগ এনে দিল জেকব বেথেলকে