লেবাননে একটি যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে যুদ্ধরত ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ। তাদের এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি আজ বুধবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা থেকে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা) কার্যকর হবে। খবর রয়টার্সের।
যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি সম্ভব হয়েছে বলে গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
হোয়াইট হাউসে বক্তব্য দেওয়ার সময় বাইডেন বলেন, ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা ১০-১ ভোটে এই চুক্তি অনুমোদন করেছে। তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতির সঙ্গে কথা বলেছেন। সংঘর্ষ স্থানীয় সময় ভোর ৪টা (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা) শেষ হবে।’
গতকাল দিবাগত রাতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, প্রাথমিক অবস্থায় এ চুক্তির মেয়াদ থাকবে ৬০ দিন। পরবর্তীকালে এটি আবারও বৃদ্ধি হবে।
হুঁশিয়ারি দিয়ে নেতানিয়াহু জানান, হিজবুল্লাহ যদি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে তাহলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।
চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েল লেবানন থেকে তাদের সব সেনা প্রত্যাহার করে নিয়ে যাবে। অপরদিকে, হিজবুল্লাহ সীমান্ত এলাকা থেকে সরে গিয়ে লিটানি নদীর অপর প্রান্তে চলে যাবে। এ ছাড়া হিজবুল্লাহ সীমান্তে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ ও নিজেদের পুনরায় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত করতে পারবে না।
গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। হামাসকে সহায়তায় এরপরের দিন ৮ অক্টোবর থেকে দখলদার ইসরায়েলের অবৈধ বসতি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়া শুরু করে হিজবুল্লাহ। এর জবাবে ইসরায়েলও লেবাননে হামলা শুরু করে। তবে হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের সীমান্ত এলাকা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দিতে চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর লেবাননে স্থল হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। যদিও ইসরায়েল যে লক্ষ্য করে স্থল হামলা শুরু করেছিল তারা সেটি পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি। উল্টো সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। তবে আকাশ শক্তি ব্যবহার করে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে ইসরায়েল। তাদের হামলায় দেশটির তিন হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
সরকারি অর্থে ভবন রক্ষা প্রকল্প!
চলে গেলেন লেখক অনুবাদক হারুন-উর রশিদ
৪০ বছরে ১২০ পাহাড় সাবাড়