বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে দেড় কোটি প্রবাসী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রক্রিয়াগত জটিলতা আর তথ্যের ঘাটতি থাকায় পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার আইনি ব্যবস্থা থাকলেও তার বাস্তবায়ন হচ্ছে না। বিশাল এই নাগরিকদের জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা আনার উপায় নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকেও জানানো হয়েছে। মনে রাখতে হবে দেড় কোটি প্রবাসীর ভোটের অধিকারই হবে সরকারের সফলতা।
রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘আগামী নির্বাচনে প্রবাসী নাগরিকদের অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহিন সরকার।
সাপ্তাহিক সুরমা লন্ডনের সম্পাদক শামসুল আলম লিটনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অতিশ দিপংকর ইউনিভার্সিটির ভিসি ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গির আলম, এনআইডি পরিচালক এ এস এম হুমায়ন কবির, প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমান, ব্যরিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ও মালয়েশিয়া চেম্বারের পরিচালক মাহবুব আলম প্রমুখ।
মাহিন সরকার বলেন, প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানো এবং তাদের ক্ষেত্রে যত সমস্যা রয়েছে তার সমাধান করতে হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে। আমাদের পক্ষ থেকেও সরকারের কাছে আবেদন থাকবে এটা। ইতোমধ্যে আমরা প্রবাসীদের কি ধরনের সমস্যা রয়েছে, দেশের বাইরের সমস্যা নিয়েও কথা বলেছি।
ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গির আলম বলেন, বিশ্বের ৪১টি দেশে প্রবাসীদের ভোটাধিকার রয়েছে। আমাদের দেশেও সেটা করার সক্ষমতা রয়েছে। আমরা চাই বিশ্বের ৪২তম দেশ হোক বাংলাদেশ। আশা করি এটা দ্রুতই বাস্তবায়ন হবে।
প্রবাসী ব্যবসায়ী মাহবুব আলম বলেন, বিএমইটি থেকে রেজিস্ট্রেশন করার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের কাছ থেকে ২৩০ টাকা করে ফি নেওয়া হয়েছে যেটা আগে ফ্রি ছিল। এর মাধ্যমে ৬০ লাখ মানুষের কাছ থেকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুই বছরে প্রায় ১৮০০ কোটি টাকা লুট করেছে। এর আগে যেখানে ৩৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকায় একজন প্রবাসে যেতে পেরেছেন সেটা এখন ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এটা করা হয়েছে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের যে ইতিহাস লেখা হয়েছে সেটি ৯০ ভাগ মিথ্যা