তাবলিগ জামাতের পরিচিত মুখ উসামা। ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল, নায়ক ইমনসহ অনেকেই মুফতি উসামার সঙ্গে তাবলিগে গিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে মুফতি উসামার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন উপদেষ্টা আসিফ। গাজীপুরে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মাওলানা সাদ ও জুবায়ের পন্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের তিন মুসল্লি নিহত এবং বেশ কয়েক মুসল্লি আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার ভোরে ইজতেমা ময়দানের বিদেশি নিবাসের ছাউনিতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মুফতি উসামা দাবি করলেন, বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রপাতি নিয়ে জোবায়েরপন্থীরা মূলধারা সাথীদের উপর আক্রমণ করে দুজনকে মেরে ফেলেছে।
ঘটোনার বর্ণনা দেওয়ার শুরুতেই মুফতি উসামা বলেন, পাঁচ দিনের জোর কেন্দ্র করে কিছু কথা। গত ২০ দিন আগে সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ দিনের জোর টঙ্গী ইজতেমার মাঠে করার অনুমতি প্রদান করা হয় মূল ধারার তাবলীগের সাথীদেরকে এবং জোবায়ের পন্থীদেরকে মাঠখালি করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। মাঠ খালি করার মর্মে তারা স্বাক্ষর করেন কিন্তু পরবর্তীতে তারা মাঠ খালি না করে টঙ্গীর মাঠ কে জোরপূর্বক দখল করে রাখেন। মূল ধারার তবলীগের সাথেদের জোরের নির্ধারিত তারিখ ২০ ডিসেম্বর হতে ২৪ ডিসেম্বর থাকার কারণে সাথীগণ গতকালকে পুরা বাংলাদেশ থেকে আসা শুরু করে টঙ্গী ইজতেমার ময়দানের উদ্দেশ্যে।
নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে তিনি বলেন, মূলধারার মারকাজ টঙ্গী মাঠের পশ্চিম দিকে কামারপাড়া অংশে একত্রিত হতে থাকে। বিভিন্ন স্থানে জোরের জন্য আসা সাথীদের বাস থামিয়ে জোবায়ের পন্থীরা আক্রমণ করে এবং এই আক্রমণ আহসানিয়া মিশন হসপিটাল পর্যন্ত চলে আসে, বিধায় মারকাজ থেকে সাথীরা প্রতিহত করতে আগে বেড়ে যায় এবং সেখানে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয় একপর্যায়ে মূলধারা তবলিগের সাথীরা কামারপাড়া ব্রিজ ক্রস করে ইজতেমার ময়দানের দিকে আগে বারে এবং বিদেশী খিমার গেট দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে থাকে, তখন ভেতর থেকে ছুরি বাস এবং বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রপাতি নিয়ে জোবায়ের পন্থীরা মূলধারা সাথীদের উপর আক্রমণ করে, ফলে সেখানে মূল ধারণার দুজন সাথীকে শহীদ করে দেয় তারা এবং শত শত সাথীকে আহত করে।
সৈয়দ উসামা ইসলাম ওরফে মুস্ফতি উসামা বলেন, জোবায়ের পন্থীরা সরকারের আদেশ সামান্য করে মাঠ দখল করে রাখার কে? এবং নির্ধারিত স্থানে জোরে তারিখ দেওয়ার পরেও সেখানে অস্ত্রপাতি নিয়ে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে বসে থাকা, দেশের কোন আইন ও সাপোর্ট করে না এবং ইসলাম তো কোন অবস্থাতেই সাপোর্ট করে না। যখন আমি ইহা লিখছি তখন ও বিভিন্ন স্থানে জোরের জন্য আগত সাথীদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে জুবায়ের পন্থীগণ। তাবলীগ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে, এক পক্ষ আরেক পক্ষের কোন কাজে ইন্টারফেয়ার করার অধিকার রাখে না। এজন্য সরকারের কাছে আর্জি : দুই পক্ষ নিজের নিজের মত কাজ করবে, কেউ অন্যের কাজে ইন্টারফেয়ার করবে না এই মর্মে আদেশ জারি করা হোক।
সিঁথিতে সিঁদুর, লাবণ্যরূপে পরীমণি
ইজতেমা ময়দানেই জোড় ইজতেমার ঘোষণা সাদপন্থীদের, সেনা-বিজিবি মোতায়েন
মাকে ব্যারিস্টার সুমনের চিঠি, লিখেছেন নিয়মিত নামাজ-কোরআন পড়ি