অর্থনীতির সংজ্ঞা অনুযায়ী অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো খুব কঠিন কিছু নয়। অর্থনৈতিক সমস্যার মূল বিষয় হলো, চাহিদার তুলনায় শ্রম, জমি এবং পুঁজির মতো সম্পদ সীমিত। তার বিপরীতে মানুষের চাওয়া-পাওয়া সীমাহীন এবং সেগুলো বেড়েই চলেছে। তাই সীমিত সম্পদ দিয়ে কীভাবে যথাসম্ভব উৎপাদন বাড়ানো যায় এবং তার একটি সুষম বণ্টন করা যায়, সেগুলোই অর্থনীতির মূল সমস্যা। দীর্ঘ ১৫ বছর আওয়ামী লীগের চামচা পুঁজিতন্ত্রের কারণে আমরা দেখলাম, রাজনৈতিক ক্ষমতার যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে উদ্ভট কিছু অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরি হয়েছে। এ রকম পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতির স্টক-টেকিং-এর অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করার তাগিদ বোধ করে। এই শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ছিলেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
শ্বেতপত্রে ভয়ংকর চিত্র : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য শ্বেতপত্রে বলেছেন, গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে রাষ্ট্রের সব বিভাগ চুরির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল এবং এভাবে আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতাদের যৌথ প্রচেষ্টায় (Nexus) ‘চামচা পুঁজিবাদ’ (Crony Capitalism) থেকে ‘চোরতন্ত্র’ (Kleptocracy/Thivocracy) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই কমিটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি’ তা দুর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাটসহ অর্থনীতির নানা বিষয়ে তাদের প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে প্রায় ৪০০ পৃষ্ঠার বই তৈরি করেছে। শ্বেতপত্রে বলা হয়, আগের ১৫ বছরে বাংলাদেশ থেকে ২৮টি উপায়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অবৈধভাবে পাচার করা হয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে, আমাদের অর্থনীতির মূল অপঘটনা ছিল কিছু রাজনৈতিক নেতা, আমলা ও ব্যবসায়ী কর্র্তৃক দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করে দেওয়া। শ্বেতপত্র অনুযায়ী, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা ৬০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রায় ১৪ থেকে ২৪ বিলিয়ন ডলার (১.৬১ থেকে ২.৮০ লাখ কোটি টাকা) রাজনৈতিক চাঁদাবাজি, ঘুষ এবং বাজেট প্রসারণ করে দুর্নীতি করা হয়েছে।
নিয়ম একই, সমস্যা ভিন্ন কেন : পাশ্চাত্য দেশগুলোতে মূল অর্থনৈতিক সমস্যার প্রকৃতি হচ্ছে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়া, কর্মক্ষম লোকের সংখ্যা কমে যাওয়া, জিডিপির হার একই রকম থাকা বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমে যাওয়া এবং শেয়ারবাজারে ধস নামা ইত্যাদি। মূল্যস্ফীতির হার ওইসব দেশে ২ থেকে ৩ শতাংশের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হয়। এর ব্যত্যয় ঘটলে রাজনীতিবিদদের ঘুম হারাম হয়ে যায় এবং সহসাই ক্ষমতার পালা বদল ঘটে। কিন্তু বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি দুই সংখ্যায় উপনীত হলেও বলা হয়েছে, ‘দেশের মানুষের আয় বেড়েছে, তাদের ক্রয়ক্ষমতার কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে।’
আরও যেসব বিষয় বাংলাদেশের অর্থনীতির শ্বেতপত্রে উঠে এসেছে সেগুলো হলো : চরম অনিয়মে পড়েছে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, অতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বাজে খাদ্য ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে চূড়ান্ত অনিয়ম, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানে প্রবল ভাটা। শে^তপত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, টাকা পাচার ও লুটপাটের নানা তথ্য উপাত্ত দেওয়া রয়েছে। সরাসরি কোনো প্রমাণ না থাকলেও কমিটি বলছে তাদের ধারণা যেসব খাতে বেশি দুর্নীতি হয়েছে তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ব্যাংকিং, অবকাঠামো, জ্বালানি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাত। এগুলো সম্ভব হয়েছে অতিরিক্ত রাজনৈতিক প্রভাব ও ভয়-ভীতির পরিবেশ তৈরি করার মাধ্যমে। অর্থনৈতিক স্টকটেকিংয়ের অন্যতম বিষয় হলো, তথ্যউপাত্ত নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সীমাহীন জোচ্চুরি। পালিয়ে যওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিগণ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বিকৃতি করে জিডিপি, বিনিয়োগ ও রপ্তানি আয় বাড়িয়ে দেখিয়েছেন। একইভাবে ১৫ থেকে ২০ শতাংশের মতো অতি-মূল্যস্ফীতিকে তারা ১১-১২ শতাংশ বলে দাবি করেছেন।
চলতি অর্থবছরে জিডিপি কমবে : নানা ঘাত-প্রতিঘাতে চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমে যাবে। এই অর্থবছরে (২০২৪-২৫) মোট দেশজ উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আনছে অন্তর্বর্তী সরকার। আওয়ামী লীগ সরকার কর্র্তৃক বাজেটে এই অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬.৮ শতাংশ। অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলছেন, চলতি অর্থবছরের জিডিপি লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করে ৫.২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২২ অক্টোবরে বলেছে, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৫ শতাংশ। এর আগে বিশ্বব্যাংক বলেছিল রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সাম্প্রতিক বন্যার কারণে এই অর্থবছর শেষে দেশের প্রবৃদ্ধি কমে হবে ৪ শতাংশ মাত্র।
এ রকম পরিস্থিতিতে, নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়া (এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন) বাংলাদেশের জন্য টেকসই হবে না বলে ব্যবসায়ী সমাজ মনে করছেন। তারা বলেছেন, যখন এই উত্তরণের বিষয়ে বাংলাদেশ ২০১৮ সালে আকাক্সক্ষা প্রকাশ করেছিল তখন দেশের নানা অর্থনৈতিক সূচক বেশ ভালো অবস্থানে ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এসে দাঁড়ায় প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলারে। তবে সম্প্রতি এই রিজার্ভ প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী এই রিজার্ভ থেকে প্রায় ৬.২ বিলিয়ন ডলার বাদ দিতে হবে। তাহলে ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ থাকবে ১৪ বিলিয়ন ডলারের কিছু কম, যা তাদের বেঁধে দেওয়া সীমা ১৫.৩২ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে কিছুটা কম।
এই কথাটিই দেশ রূপান্তরকে বলছিলেন বাংলাদেশ নিট পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ২০১৮ সালের মতো নেই। ওই সময়ে বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের বিষয়টি প্রস্তাব আকারে তোলা হয়েছিল। গত ১৫ বছরে দেশে যে লুটপাট হয়েছে, রপ্তানির যে ভুল উপাত্ত দেওয়া হয়েছে, রিজার্ভের যে অবস্থা, তা কোনো মতেই বাংলাদেশের অবস্থা এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের অবস্থায় নেই।’ তিনি বলেন, ‘করোনা অতিমারির পর থেকে উপর্যুপরি যেসব অর্থনৈতিক ধাক্কা, যেমন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, প্যালেস্টাইন ও সিরিয়ার সমস্যা ইত্যাদি বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিকেই কমিয়ে দিয়েছে। এখন আমরা টিকে থাকার লড়াইয়ে রয়েছি। ফলে গ্র্যাজুয়েশন হলে আমরা যেসব পরিস্থিতির মধ্যে পড়ব, উচ্চহারে ডিউটি পরিশোধ করতে হবে, সেই অবস্থায় আমরা নেই। ফুটানি করে ঘি খাওয়ার অবস্থা আমাদের নেই।’ হাতেম বলেন, ‘নেপালের সঙ্গে আমাদের তুলনা করলে হবে না। কেননা, নেপালে পোশাক রপ্তানির মতো বড় কোনো খাত নেই। তাদের রিজার্ভ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি।’ বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, ‘নানা কারণে অনেক দেশই যথাসময়ে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন স্থগিত করেছিল। সেই উদাহরণ আছে। তাই, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই সরকারও জাতিসংঘের কাছে গ্র্যাজুয়েশনের বিষয়টি পেছানোর জন্য আবেদন করতে পারে।’ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) অবস্থা থেকে বাংলাদেশের আসন্ন অর্থনৈতিক গ্র্যাজুয়েশনের বিষয়টি নিয়ে বিজিএমইএর সাম্প্রতিক এক সভায় আলোচনা করা হয়। সেখানে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশ এক্ষেত্রে ক্ষতির সম্মুখীন হবে। এলডিসি তালিকা থেকে বেরিয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সুবিধা এবং অন্যান্য সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ, যার প্রভাব পড়তে পারে বিশ^বাজারে এ দেশের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে। বাংলাদেশের শিল্পের বর্তমান অবস্থা এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে একটি ক্রান্তিকালে উপনীত করেছে। আর এ কারণে এই গ্র্যাজুয়েশনটি পেছাতে হবে অন্তত ৩ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত। এ সময়টি এ দেশের ভালো প্রস্তুতির জন্য একান্ত প্রয়োজন।
খেলাপি ঋণ : দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে তা ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ব্যাংকগুলোর বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ১৭ শতাংশই এখন খেলাপি। দেশের ইতিহাসে এত বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ কখনই দেখা যায়নি। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের সময় ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, অনিয়ম, কেলেঙ্কারি, দুর্বল করপোরেট গভর্ন্যান্স এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যথাযথ মনিটরিংয়ের অভাবের কারণে খেলাপি ঋণ হু হু করে বেড়েছে।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন একটি স্বাভাবিক ঘটনা, জাদু নয় : ব্যক্তিপর্যায়ে অর্থনৈতিক উন্নতি মানুষের একটি স্বভাবজাত কামনা। দেশে অর্থনৈতিক পরিবেশ স্বাভাবিক থাকলে মানুষ নিজ প্রচেষ্টায় তার আয়, সঞ্চয় বৃদ্ধি করে উন্নত জীবনযাপনের দিকে এগিয়ে যায়। তাই অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাওয়াটা কোনো বিশেষ জাদুকরী ঘটনা নয়। এ জন্য শুধু দরকার একটি স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। গত ১৫ বছর এ জিনিসটিরই ঘাটতি ছিল চরম। এ সময়কালে দেশে ব্যাপক ধর-পাকড়, গুম-খুন, গণহারে জেল, মানুষের কণ্ঠ রোধ করে একটি ‘ছদ্ম রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা’ (Pseudo Political Stability) দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরা পকেট থেকে টাকা বের করে বিনিয়োগের ভরসা পাননি। তারা সবসময় আতঙ্কে ছিলেন যে, এই পরিবেশে বিনিয়োগ করলে আকাক্সিক্ষত রিটার্ন আসবে না। সরকার অসৎ ও অন্যায়ভাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও রপ্তানি তথ্য ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে উপস্থাপন করলেও দেশে নতুন শিল্প কারখানা গড়ে ওঠেনি, কর্মসংস্থান হয়নি। যেহেতু ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়েনি, তাই সরকার ‘পাবলিক প্রকল্প’ বেশি বেশি নিয়ে বিনিয়োগের পরিমাণ ঠিক রাখার চেষ্টা করেছে। আর, বড় বড় প্রকল্প নেওয়ার কারণে এবং কতিপয় ব্যক্তির হাতে আমদানি বাণিজ্য ছেড়ে দেওয়ার কারণে কমিশনের বিনিময়ে তারা নিত্যপণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়িয়েছেন। তৈরি করেছেন একটি বিজনেস অলিগার্কি। এই অলিগার্কির (নেক্সাস) মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কতিপয় আমলা ও কিছু রাজনীতিবিদ প্রধানমন্ত্রীর গোচরে চালিয়েছেন লুটতরাজ, ফাঁকা করে দিয়েছেন ব্যাংক, দেদার ছাপিয়েছেন টাকা। শুধু তাই নয়, মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে না পারে, সে জন্য ঘন ঘন বাড়িয়েছেন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম। আর, সমানে চলেছে সিস্টেম লস। এমন এক প্রেক্ষাপটে অর্থনীতি যে ঠিক নেই বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শত কুচেষ্টা সত্ত্বেও তা ফুটে উঠেছে। কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের জায়গাটি শ্মশানের মতো খাঁ খাঁ করেছে। কেবল নিয়মতান্ত্রিকভাবে যতটুকু বিনিয়োগ না করলেই নয়, বিশেষত অতিরিক্ত পোশাক রপ্তানির অর্ডার আসার কারণে (তাও আবার চীনের সঙ্গে মার্কিনিদের বাণিজ্য সংকটের কারণে), সেই প্রসারণটুকু ঘটেছে ওই বিশেষ সেক্টরে।
লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক
