এবার অভিশংসনের মুখে পড়লেন দক্ষিণ কোরিয়ার সদ্য দায়িত্ব নেওয়া ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সু। ইয়ুন সুক ইওলকে অভিশংসনের ভোটাভুটির দুই সপ্তাহ পর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা। সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ৩ ডিসেম্বর সামরিক আইন জারির ব্যর্থ চেষ্টার পর পার্লামেন্টে প্রেসিডেন্ট ইয়ুনকে অভিশংসিত করা হয়। এরপরই ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী হান।
রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল হানের, কিন্তু বিরোধী এমপিরা যুক্তি দিয়েছিলেন, তিনি ইউনের অভিশংসন প্রক্রিয়া শেষ করার দাবি প্রত্যাখ্যান করছেন।
বিবিসি জানিয়েছে, শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোটাভুটি হওয়ায় পার্লামেন্টে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। জাতীয় পরিষদের স্পিকার উ ওন-শিক অভিশংসন বিলটি পাস করতে মাত্র ১৫১টি ভোটের প্রয়োজন হবে বলে ঘোষণা দেওয়ার পর ইয়ুন ও হানের ক্ষমতাসীন পিপলস পাওয়ার পার্টির (পি) আইনপ্রণেতারা বিক্ষোভ করেন।
ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা ভোট কক্ষের মাঝখানে জড়ো হয়ে ‘অবৈধ!’, ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ বলে স্লোগান দেন এবং স্পিকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানান। তাদের অধিকাংশই ভোট বর্জন করেছেন।
স্পিকারের এমন ঘোষণার অর্থ হলো, হানকে সংসদে অভিশংসিত করার জন্য এবার ক্ষমতাসীন আইনপ্রণেতাদের কোনো ভোটের প্রয়োজন হবে না।
মূলত, বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্টে ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৭০টিই ডেমোক্রেটিক পার্টির দখলে। আর ডেমোক্রেটিক পার্টিসহ গোটা বিরোধী দলীয় জোটের দখলে রয়েছে ১৯২টি আসন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়ুনের মামলা তদারকির জন্য পার্লামেন্টে তিন বিচারকের নিয়োগ আটকে দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার হানের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব দাখিল করে বিরোধীরা।
কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত সাধারণত ৯ সদস্যের একটি বেঞ্চ নিয়ে গঠিত হয়। সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে হলে অন্তত ছয়জন বিচারককে ইয়ুনের অভিশংসন বহাল রাখতে হবে। বেঞ্চে বর্তমানে মাত্র ছয়জন বিচারক রয়েছেন, যার অর্থ একজন ইয়ুনের অভিশংসনের বিপক্ষে রায় দিলে অপসারণ থেকে রক্ষা পাবে।
রাশিয়ার মিসাইলের আঘাতে কাজাখস্তানে বিমান বিধ্বস্ত হয়
ইসরায়েলি হামলার সময় ইয়েমেন বিমানবন্দরে ছিলেন ডব্লিউএইচও প্রধান
‘ইতিহাস আমার প্রতি দয়াপ্রবণ থাকবে’, বলেছিলেন মনমোহন সিং