গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের পর সবচেয়ে বেশি আহত-নিহত হয়েছেন শ্রমিক, মেহনতি সাধারণ মানুষ। কিন্তু পাচঁ মাস হতে চলল গণঅভ্যুত্থাণের ফসল শ্রমিকদের ঘরে ওঠেনি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আশুলিয়ার শ্রীপুর বাসস্ট্যান্ডে ভোটের অধিকারসহ শ্রমিকদের সকল গণতান্ত্রিক ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থাণের পরে শ্রমিকদের ভাগ্যের কোনও পরিবর্তন হয়নি। অথচ গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-যুবকদের পর সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছে আমাদের গার্মেন্টস শ্রমিক, সাধারণ শ্রমজীবী, নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত মানুষ। সেই মানুষের দৈনন্দিন জীবেন যে সংকট সেই সংকট এখনও পর্যন্ত সমাধান হয়নি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার ১৫ বছর জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে খেয়েছে, আর এখন বিগত পাঁচ মাসেও দ্রব্যমূল্য কমেনি। শ্রমিকরা এক কেজি মাংস কিনে খেতে পারে না, মাছ কিনে খেতে পারে না। যে বেতন পায় তা দিয়ে মাত্র ১৫/২০ দিন খেতে পারে তারা। তাই শ্রমিকদের মজুরি ন্যূনতম ২৫ হাজার টাকা করতে হবে। সেই সঙ্গে শ্রম কমিশনের পাশাপাশি শ্রমিকদের জন্য মজুরি কমিশন গঠনেরও জোড় দাবি জানান তিনি।
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য অরবিন্দু বেপারী বিন্দুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, মোফাজ্জল হোসেন মোস্তাক প্রমুখসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
শেষ মুহূর্তের গোলে হার এড়াল বসুন্ধরা কিংস
যে কারণে গুচ্ছ পরীক্ষা থেকে বের হতে চায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো