বলিউড ইন্ডাস্ট্রি এমন এক ক্ষেত্র যেখানে প্রতিনিয়ত নতুন মুখ উঠে আসে। তেমনই এক নাম ওয়ামিকা গাব্বি। ইনস্টাগ্রাম রিলস ঘুরিয়ে দিয়েছিল তার ভাগ্যের চাকা। অভিনয় দক্ষতা, মাধুর্য এবং ব্যক্তিত্বের মিশেলে তিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বলিউডে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। কেবল ভারতীয় চলচ্চিত্রে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেননি, বরং বিভিন্ন ভাষায় কাজ করার মাধ্যমে তার অভিনয়ের বিস্তৃত পরিসর দেখিয়েছেন ওয়ামিকা।
ওয়ামিকার অভিনয়ের যাত্রা শুরু হয় মাত্র ১৭ বছর বয়সে ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হিন্দি চলচ্চিত্র ‘বিট্টু বস’-এর মাধ্যমে। যদিও সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে খুব বেশি সাফল্য অর্জন করতে পারেনি, কিন্তু তার সাবলীল অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো তার জন্য সহজ ছিল না। অনেক চ্যালেঞ্জ এবং প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হয়েও তিনি ধৈর্য এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গেছেন। শহিদ-কারিনা অভিনীত ‘জব উই মেট’-এ গীতের বোনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাকে। শুধু বলিউডেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন আঞ্চলিক সিনেমায়ও তিনি দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন। বিশেষ করে পাঞ্জাবি এবং মালয়ালম চলচ্চিত্রে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। পাঞ্জাবি সিনেমায় তার কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘তু মেরা ২২ মেই তেরা ২২’। মালয়ালম চলচ্চিত্রে তার অভিষেক হয় ‘গডহা’ সিনেমার মাধ্যমে। মালয়ালম সিনেমার জটিল গল্পের ধরন এবং গভীর চরিত্রগুলোর মধ্যে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে তিনি দক্ষিণ ভারতের সিনেমাপ্রেমীদের মন জয় করেন। নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘মাই’-এ তিনি এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করেন যা তার অভিনয়ের নতুন দিক উন্মোচন করে। ‘মডার্ন লাভ মুম্বাই’ সিরিজে ওয়ামিকার চরিত্র ছিল একেবারেই ভিন্ন। ওয়ামিকা গাব্বির বিশেষত্ব হলো তিনি এমন চরিত্র বেছে নেন যা শুধু নায়িকার সাধারণ রূপে সীমাবদ্ধ থাকে না। শুধু অভিনয়ের জন্যই নয়, ফ্যাশন স্টেটমেন্টের জন্যও আলোচনায় থাকেন তিনি। ‘জুবলি’, ‘খুফিয়া’য় তার অভিনয় নজর কেড়েছে সবার। সদ্যই মুক্তি পেয়েছে তার ‘বেবি জন’ সিনেমা।
