বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কর্তব্য হচ্ছে নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা। সংবিধানে পরিস্কার লেখা আছে প্রজতন্ত্রের মালিক হলো জনগণ। আপনারা যদি বিশ্বাস করেন প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেন। সমস্যার সমাধান সেখানেই হবে।
আজ শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সিপিবি আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে আমাদের সংবিধানে কিছু কিছু পরিবর্তন দরকার। কিভাবে পরিবর্তন করা হবে সেটাও সংবিধানে আছে। শেখ হাসিনা এটা বাতিল করে দিয়েছিল হাইকোর্টের অর্ডারে। সেটা আবার পুনঃস্থাপিত হয়েছে। সুতরাং কোনো ভয় নাই, মানুষের ওপর ছেড়ে দেন।
তিনি বলেন, সমাজের ভেতরে রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকবে। সেই মতপার্থক্য দূর করার নিয়ম হলো জনগণের রায়ের ভিত্তিতে। সেটা করতে আমরা প্রস্তুত। কিন্তু নির্বাচনে টাকার খেলা চলবে না। পেশিশক্তির দাপট চলবে না। প্রশাসনিক কারসাজির জন্য টাকা দিয়ে অফিসারদের কিনে নেওয়া চলবে না। এবং সাম্প্রদায়িকতা আর আঞ্চলিকতা এসব দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা চলবে না। এই সংস্কারগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নামকে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে, সমস্ত ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের আওয়ামী বয়ান, সেটা একটা মিথ্যা বয়ান। সেটা একটা কুৎসিত বয়ান। সেটাকে ব্যবহার করেছে লুটপাটের জন্য। আমরা আওয়ামী বয়ানের কবর চাই, কিন্তু সেই কারণে মুক্তিযুদ্ধকেও যদি কবর দিতে আসেন আরেকবার প্রস্তুত হয়ে যান। আমরা অস্ত্র জমা দিয়েছি, ট্রেনিং জমা দেই নাই। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মতো আমরা আবার গর্জে উঠব।
অনেকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ অনেক কথা বলার চেষ্টা করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলাম এখন মাঠে নেমেছে। আমি তো বলব ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই মাঠে যে আত্মসমর্পণের দলিল হয়েছিল সেখানে পরিস্কার করে লেখা ছিল ‘আমরা পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য অক্সিলারি ফোর্সসহ নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করিলাম’। পাকিস্তানের পলিটিক্যাল অক্সিলারি ফোর্স হচ্ছে জামায়াত ইসলাম। সুতরাং ১৬ ডিসেম্বরই এটা নিষিদ্ধ হয়ে গেছে।
জয়কে আর বিদেশ পাঠাবেন না অপু বিশ্বাস
অন্তর্বর্তী সরকার জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে: মঞ্জু