সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে নির্বাচিত সরকার এলে

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:২৫ এএম

ভারত ও বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্ক এবং সহযোগিতা আগের মতোই আছে উল্লেখ করে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, দুই দেশের পারস্পরিক সার্বিক সম্পর্ক তখনই স্বাভাবিক হবে, যখন সে দেশে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসবে। তিনি বলেন, দুই দেশের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক এখন ‘নিখুঁত’ আছে। ভারতের সেনা দিবস পালনের আগে গতকাল সেনাবাহিনীর বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পর ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও সামরিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে উপেন্দ্র দ্বিবেদী এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ভারতের এক গুরুত্বপূর্ণ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার (কৌশলগত অংশীদার)। কোনো ধরনের শত্রুতা দুই দেশের জন্যই ক্ষতিকর। তাতে কারও স্বার্থ চরিতার্থ হবে না।

এদিকে এক সপ্তাহ ধরে সীমান্তে চলমান উত্তেজনা নিয়ে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে গত রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে ঢাকা প্রতিবাদ জানায়। এর পাল্টা জবাব হিসেবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গতকাল সোমবার দুপুরে দিল্লিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেখানে হাইকমিশনারকে ডেকে সীমান্ত নিয়ে ভারতের বক্তব্য অবহিত করা হয়। এই উত্তেজনার মধ্যে গতকাল ভারতের সেনাপ্রধানের বক্তব্য আরও যেন আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছেন বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। 

ভারতের সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যকে ঘিরে গতকালই দুই দেশের কূটনৈতিক চ্যানেলগুলোয় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ঢাকা দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ভারতের সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যে মনে হচ্ছে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক খুব বেশি এগোবে না। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যের জেরে বলছে, বাংলাদেশে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার যত দিন ক্ষমতায় আছে, তত দিন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক যে স্বাভাবিক হবে না, তা পরিষ্কার বুঝিয়ে দিলেন দেশটির সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

ভারতের সেনাপ্রধান এ সময় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের বিষয়ে আরও বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী। আমাদের দুই দেশকেই একসঙ্গে বাস করতে হবে। পরস্পরকে জানতে ও বুঝতে হবে। কোনো ধরনের শত্রুতা কারও পক্ষে ভালো নয়। দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক একেবারে ঠিক রয়েছে। কিন্তু দুই দেশের সার্বিক সম্পর্কের কথা যদি বলেন, তাহলে বলব, নির্বাচিত সরকার এলেই তা স্বাভাবিক হবে।’ বাংলাদেশে যখন গত আগস্ট মাসে ক্ষমতার পালাবদল হয়, তখন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বাংলাদেশে তার কাউন্টারপার্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে ‘সার্বক্ষণিক যোগাযোগে’ ছিলেন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ‘প্রক্রিয়া’টি যে দুই বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় করেই সম্পন্ন হয়েছে, তার কথায় সেই ইঙ্গিতও ছিল।

পাঁচ মাসের ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কের ধারাবাহিকতা খেয়াল করলে দেখা যায়, শুধু সীমান্তের উত্তেজনাই নয়, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বিগত ৫৩ বছরের তুলনায় শীতল হতে থাকে। দুই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে এর মধ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হলেও এখনো তা স্বাভাবিক হয়নি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। তারপর থেকে তিনি দিল্লিতেই অবস্থান করছেন। এ পর্যায়ে গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। তবে হাসিনার পতনের পর থেকেই ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। পাঁচ মাসে দুই দেশের পক্ষ থেকেই নানা ইস্যুতে সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিরোধপূর্ণ বক্তব্য আসে। তারপরও দুই দেশের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরে ঢাকা দুই দেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ধারণা করা হয়, সচিব পর্যায়ের বৈঠকের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকের দিকে যাবে।

কিন্তু দেশের বিভিন্ন সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের দেয়াল ও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কেন্দ্র করে গত এক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গতকাল সোমবারও সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে বিএসএফ। এদিন কুমিল্লা সীমান্তে পুকুরের মধ্যে দেয়াল তুলে দেয়। এ ছাড়া সীমান্তে প্রায়ই গুলি চালাচ্ছে বিএসএফ এবং মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এ নিয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে দিল্লির প্রতি আন্তর্জাতিক সীমানা রক্ষা আইনভঙ্গের অভিযোগ তোলা হয়। এ ছাড়া গত রবিবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানায় ঢাকা। এর এক দিন পর ভারত পাশাপাশি সীমান্তে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে এমনটাই প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। দুই দেশের পক্ষ থেকে এমন আভাসও পাওয়া যাচ্ছিল। এখনো তা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু নতুন বছরের শুরুতে কোনো কোনো সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সীমান্ত দেয়াল ও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সে ক্ষেত্রে কয়েক জায়গায় বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি) বাধা দেয়। কিছু কিছু জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ বন্ধ করা হয়।

পাল্টাপাল্টি তলব : সীমান্তে উত্তেজনা নিয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত মহম্মদ নুর আল ইসলামকে তলব করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল দুপুরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয় এবং সীমান্ত নিয়ে তাকে ভারতের বক্তব্য অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, পাল্টাপাল্টি তলবের বিষয়টি কূটনীতিতে একটি সাধারণ রীতি। বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হলে দিল্লিতে ঢাকার রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হবে। ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ও মিয়ানমারবিষয়ক অনুবিভাগের যুগ্ম সচিবকে তলব করা হয়েছে এরই অংশ হিসেবে।

জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে ডেকে ভারত সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তারা তাদের অবস্থান জানিয়েছেন। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনা আছে এবং সেখানে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর সীমান্তে বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া তৈরি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রবিবার ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দীন এই উদ্বেগ জানান।

প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘নিরাপত্তার জন্য সীমান্তে বেড়া নির্মাণের বিষয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে সমঝোতা রয়েছে। আমাদের উভয় দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিএসএফ এবং বিজিবি এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছে। আমরা আশা করছি, আমাদের দ্বিপক্ষীয় বোঝাপড়ার বাস্তবায়ন হবে এবং সীমান্তে অপরাধ মোকাবিলায় উভয় পক্ষের সহযোগিতামূলক পদ্ধতি থাকবে।’

দুদেশের মধ্যে সমঝোতা অনুযায়ী সীমান্তে শূন্যরেখার ১৫০ গজের মধ্যে কোনো ধরনের কাঠামো তৈরির ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের সম্মতির বিধান রয়েছে। বর্তমানে সীমান্তে ভারত যে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির চেষ্টা করছে, সেটির কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। সমঝোতা অনুযায়ী, সীমান্তে শূন্যরেখার ১৫০ গজের মধ্যে কাঠামো তৈরির সময় যৌথ পরিদর্শন, সম্মতি এবং রেকর্ড অব ডিসকাশনে সেটির উল্লেখ থাকতে হবে।

বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় সেনাপ্রধান : পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্কের বিষয়ে ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, ‘প্রতিবেশীদের মধ্যে বিদ্বেষ কোনো পক্ষের জন্যই ভালো বয়ে আনবে না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী। আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে, একে অপরকে বুঝতে হবে এবং কোনো ধরনের শত্রুতা আমাদের একে অপরের স্বার্থের জন্য ভালো হবে না।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় এই সেনাপ্রধান বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশের সেনাপ্রধান যে মন্তব্য করেছিলেন, আমি আপনাকে সেটি মনে করিয়ে দিতে চাই।’ তিনি বলেছিলেন, ‘কৌশলগত দিক থেকে ভারত আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দিক থেকেও বিষয়টা একই। কৌশলগত কারণে আমাদের জন্যও বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তের বেশিরভাগই ভারতের সঙ্গে এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ছোট একটি অংশ মিয়ানমারের সঙ্গে রয়েছে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো ‘সমস্যা নেই’ দাবি করেছেন জেনারেল দ্বিবেদী।

ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশে যখন ক্ষমতার পালাবদল ঘটল, তখন থেকেই আমি বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। এমনকি গত ২৪ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সেও আমাদের কথা হয়েছে।’

জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, ‘সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে বলা যায়, সেটি আবারও আগের মতোই চলছে। আমাদের কর্মকর্তারা সেখানে এনডিসিতে যোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে কোনো ছাড় নেই। শুধু একটি বিষয় হলো, যে যৌথ মহড়া চালানো হতো, এখনকার পরিস্থিতির কারণে আমরা কিছু সময়ের জন্য সেটি স্থগিত করেছি। পরিস্থিতির উন্নতি হলে সেই মহড়াও হবে।’

কুমিল্লা সীমান্তে পুকুরের মধ্যে দেয়াল তুলেছে বিএসএফ : কুমিল্লার সীমান্তে পুকুরের মধ্যে দেয়াল তুলছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। পুকুরটির অর্ধেক ভারতে আর অর্ধেক বাংলাদেশে পড়েছে। উভয় দেশের বাসিন্দারা এই পুকুরে গোসলসহ প্রয়োজনীয় পানি সংগ্রহ করে থাকেন। পুকুরটি কুমিল্লা সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের শাহপুর মসজিদের কাছে অবস্থিত। সীমান্ত দেয়াল নির্মাণ শেষে সেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফের চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গতকাল ভোররাতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তের বিপরীতে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তের ভেতরে শিবতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে মনে করছে ভোমরার স্থানীয় এলাকাবাসী। সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির সহকারী পরিচালক মাসুদ রানা বলেন, ‘এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। গুলির ঘটনার সঙ্গে সাতক্ষীরা সীমান্তের কোনো সম্পর্ক নেই।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত