কুমিল্লা

সংবাদ সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকের ওপর হামলা

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:৩৩ পিএম

কুমিল্লায় এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (ইপিজেড) এ সংবাদ সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকের ওপর হামলা করেন ইপিজেড আনসার কর্মীরা ও বেপজা সিকিউরিটি গার্ড। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) কুমিল্লায় ইপিজেডে এই ঘটনায় ঘটে।

ঘটনাস্থলে সংবাদ কর্মীরা জানায়, ইপিজেডের এলাকাবাসীর আয়োজনে একটি মানববন্ধনে সংবাদ গ্রহণে করতে সাংবাদিকরা ইপিজেড গেইটে গেলে সেখানকার দায়িত্বরত আনসার কর্মীরা সাংবাদিকদেরকে ঢুকতে বাঁধা দেন।

বেপজা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে চাইলেও তারা গণমাধ্যমকর্মীদের কোনো কথা না শুনেই তাদের গায়ে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন। সোনালী নিউজের জেলা প্রতিনিধি মইন নাসের খান রাফিকে ধাক্কা দিয়ে লাঞ্ছিত করেন আনসারকর্মীরা৷ রাফির শরীরে আঘাত লাগে ও হাত রক্তাক্ত হয়ে যায়। এসময় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা  উপস্থিত ছিলেন। 

দৈনিক আমাদের কুমিল্লার রিপোর্টার জাহিদ হাসান নাইম বলেন, আমরা সংবাদ সংগ্রহের জন্য এসেছিলাম। ইপিজেডের ভেতর দিয়ে অন্য পাশের গেটে যাওয়ার জন্য অনুমতি চেয়েছিলাম। কিন্তু বেপজা সিকিউরিটি গার্ড ও আনসার কর্মীরা কোনো কথা না শুনেই উচ্চ বাক্য করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা সাংবাদিক রাফির গায়ে হাত তোলে। আমি এই ঘটনা তীব্র নিন্দা জানাই।

চ্যানেল এস এর কুমিল্লা প্রতিনিধি রাজিব সাহা বলেন, আমরা গণমাধ্যম কর্মীরা সংবাদ সংগ্রহে যাব। সেখানে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন আছে এটা তো তারা আগে থেকেই অবগত। আনসার কর্মীরা সুন্দরভাবে বুঝিয়ে না বলেই শুরু থেকেই উচ্চ বাক্যে কথা বলে এবং গণমাধ্যম কর্মীদেরকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। একপর্যায়ে সাংবাদিক রাফির গায়ে হাত তোলে। এটা তারা ঠিক করেনি। আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।
 
এদিকে এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক।

নাম না প্রকাশ করা শর্তে একাধিক কর্তকর্তা বলেন, গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে। সকাল বেলায় সাংবাদিকরা গেইট দিয়ে ঢুকার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা কর্মী তাদের বাঁধা দেয়। এ সয়ম কিছু ভুল বুঝাবুঝি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা কর্মীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
 
কুমিল্লা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহবুবের মুঠো ফোনে একাধিক বার কল দিও বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত