নতুন প্রজন্মের চিত্রনায়িকা অধরা খান। এরই মধ্যে তার অভিনীত ‘নায়ক, ‘মাতাল’ ও ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ সিনেমাগুলো মুক্তি পেয়েছে। সামনে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে বেশকিছু চলচ্চিত্র। সম্প্রতি একটি নতুন ছবির শুটিং করলেন। দেশ রূপান্তরের সঙ্গে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলাপ করতেই অধরা বললেন, ‘বর্তমান সময়টা একটু কঠিন। বাংলাদেশে অনেক বড় একটা পরিবর্তন এসেছে। এখন বিনোদনের থেকে মানুষ বেশি নিজেকে নিয়ে ভাবছে। কিন্তু অবসর তো আমাদের তেমন একটা থাকে না। কাজের কথাবার্তার মধ্যেই আমরা থাকি। এ বছরের জুন-জুলাইয়ের দিকে নতুন কিছু প্রজেক্টের কাজ শুরু করব।’
অধরার তিনটি সিনেমা এখনো মুক্তির অপেক্ষায় আছে, এগুলো হলো কভিড ১৯, ঋতুকামিনী ও দখিন দুয়ার। এসব ছবিতে নিজের চরিত্র নিয়ে বললেন, ‘দখিন দুয়ার সিনেমাতে আমি খেয়া চরিত্রে এবং ঋতুকামিনীতে আমি কুমকুম চরিত্রে অভিনয় করেছি। যে দুজন সিনেমা দুটি নির্মাণ করেছেন দুজনই ভীষণ মেধাবী পরিচালক, তাদের মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর প্রতি দর্শকের ভালোলাগা ছিল ভালোবাসা ছিল। যে কারণে বলা যায়, বেশ আগ্রহ নিয়েই তাদের সিনেমাতে অভিনয় করেছি। একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছি এই দুটি সিনেমাতে। আমি ভীষণ আশাবাদী সিনেমা দুটি নিয়ে।’
সময়ের সঙ্গেই চলতে চান সময়ের এই অভিনেত্রী। তাই মাধ্যমটা নয়, কাজটাকেই গুরুত্ব দিতে চান। এ বিষয় নিয়ে সবিস্তারে বললেন অধরা। তার ভাষ্য, ‘সময়ের সঙ্গে সবকিছুই চেঞ্জ হচ্ছে। ফোকাস যদি ভালো কাজের দিকে থাকে তাহলে প্ল্যাটফর্মের কথা চিন্তা করলে হবে না। এখন কনটেন্ট বেড়ে গেছে, প্ল্যাটফর্ম বেড়ে গেছে। আর তাই আমাদেরও ভালো করার চেষ্টাটাও বাড়িয়ে দিতে হচ্ছে। বলতে গেলে দর্শকরা চাহিদা অনুযায়ী অনেক বেশি পাচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে আমার মনে হয়, যখন একটা প্রজেক্ট ভালো হবে তখন আমি প্ল্যাটফর্মের বাইরেও কাজ করব।’
সংখ্যার চেয়ে মানকেই বেশি গুরুত্ব দেন অধরা। তাই একের পর এক সিনেমায় নাম লেখাতে আগ্রহী নন। এ প্রসঙ্গে অধরা বললেন, ‘আমি একগাদা ছবি করি না। তাই বড় পর্দায় আমাকে কম পাওয়া যায়। আমি কম বাজেটের ছবি করি না। গল্পে আমার চরিত্রের গুরুত্ব না থাকলে সেই গল্পে আমি কাজ করি না। বড় পর্দায় কাজ করতে এসে যদি দর্শক আমাকে গ্রহণ না করে সেটা মেনে নেওয়া যায় না। তাই গল্প, চরিত্র ও বাজেট বিবেচনা করে আমি ছবি করি।’
অধরা সবসময়ই নিজেকে একজন ভালো অভিনেত্রী হিসেবে প্রমাণ করতে চান। তাই সেভাবেই নিজেকে প্রস্তুত করেন। অধরা বললেন, ‘নিজেকে প্রস্তুত করছি। ভালো গল্প ও চরিত্রের প্রয়োজন। যেকোনো কাজ শুরুর আগে সেই চরিত্রে নিজেকে অনুধাবন করি। এ ছাড়া শরীর চর্চা, বই পড়া, সিনেমা দেখা তো থাকছেই।’
সামাজিক মাধ্যমে বেশ সক্রিয় এই নায়িকা। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছবি পোস্ট করলে ইতিবাচক নেতিবাচক মন্তব্য পাওয়া যায়। এ বিষয়ে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমরা পাবলিক ফিগার। আমাদের নিয়ে মানুষের অনেক কৌতূহল আছে। কিন্তু আমাদেরও একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। দর্শক আমাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখে। আর সিনেমায় দেখে। আমি কখনোই ব্যক্তিগত জীবন আর পেশাকে এক করে ফেলি না। দুটোকে আলাদা রাখি। কাজের প্রয়োজনে শরীর ফিট রাখতে হয় সবসময়। তাই বলে খাওয়া-দাওয়া বাদ দিই না। আমি খেতে খুব ভালোবাসি, প্রচুর খাই আমি। আমাদের দেশীয় খাবার যেটা ভাত আর ভর্তা সেটা আমার ভীষণ পছন্দ। স্পাইসি খাবার আমি খুব পছন্দ করি। এ ছাড়া আমি তো ঘুরতে খুব ভালোবাসি। সি ফুড আর অ্যারাবিক খাবারও আমার পছন্দ’।
প্রয়োজনে মেয়েকে ‘চড়’ মারবেন রাবিনা!
সোহানা সাবা পেলেন নতুন দায়িত্ব
‘ভুয়া ‘ভুয়া’ স্লোগান: অসহায়ের মতো চেয়ে রইলেন লিটন
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার