ইনজুরিতে জর্জরিত টটেনহাম হটস্পার অবশেষে ইউরোপা লিগের লড়াইয়ে নিজেদের ছন্দ খুঁজে পেয়েছে। হফেনহাইমের বিপক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ এক ম্যাচে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শীর্ষ আটে জায়গা নিশ্চিত করেছে অঞ্জে পোস্টেকোগলুর দল। তবে, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে হঠাৎ ছন্দ হারানো এবং রক্ষণভাগের দুর্বলতা এখনও দলটির জন্য অশনি সংকেত।
ম্যাচের মাত্র তৃতীয় মিনিটেই জেমস ম্যাডিসনের অসাধারণ গোলে এগিয়ে যায় টটেনহাম। পেদ্রো পোড়োর লব থেকে পাওয়া বলটি নিখুঁতভাবে জালে জড়ান ম্যাডিসন। ২২ মিনিটে সন হিউং-মিন প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপে ফেলে ব্যবধান ২-০ করেন। সনের শট হফেনহাইমের ডিফেন্ডার পাভেল কাদেরাবেকের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়।
প্রথমার্ধে হফেনহাইমের রক্ষণদুর্বলতা ও বিশৃঙ্খলা স্পষ্ট হলেও দ্বিতীয়ার্ধে তারা আক্রমণে ধার বাড়ায়। ৬৪ মিনিটে আন্তন স্তাখ একটি দারুণ গোলে ব্যবধান কমান। তবে, ৭৫ মিনিটে ডেজান কুলুসেভস্কির পাস থেকে সন গোল করে ব্যবধান আবারও ৩-১ করেন।
শেষদিকে বদলি খেলোয়াড় ডেভিড মোকওয়া গোল করে ম্যাচটি ৩-২ করলেও টটেনহামের প্রতিরোধ ভাঙতে পারেনি হফেনহাইম।
ইনজুরির কারণে ১৩ জন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছাড়াই মাঠে নামতে হয়েছে টটেনহামকে। পাঁচজন টিনেজার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ শেষ করেন পোস্টেকোগলু। আর্চি গ্রে এবং লুকাস বার্গভাল শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলেছেন, পাশাপাশি বদলি হিসেবে মাঠে নামা উইল ল্যাঙ্কশেয়ার, মাইকি মুর এবং কালাম ওলুসেসির অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
পোস্টেকোগলু ম্যাচ শেষে বলেন, 'একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঁচজন কিশোরকে খেলানো সচরাচর দেখা যায় না। ওদের পারফরম্যান্স প্রশংসার যোগ্য। ইনজুরিতে থাকা খেলোয়াড়রা ফিরলে আমরা আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরব।'
এই জয়ের ফলে টটেনহাম ইউরোপা লিগের নকআউট পর্বের খুব কাছে পৌঁছে গেছে। তবে ইনজুরি এবং রক্ষণভাগের দুর্বলতা ঠিক করতে না পারলে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে তাদের জন্য। লীগ পর্বের শেষ ম্যাচে আগামী সপ্তাহে এলফসবর্গের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।
টটেনহামের জন্য জয়টি ছিল শ্বাসরুদ্ধকর, তবে তাদের সামনে এখনও অনেক বাধা পার করার চ্যালেঞ্জ বাকি।
খেলার মাঝে চোট, সেমিফাইনাল থেকে সরে দাঁড়ালেন জকোভিচ
ব্রুনোর গোলে জয়ের স্বস্তি ম্যানইউর