কর্মজীবন থেকে অবসর জীবনে প্রবেশের পর জীবনটা উপভোগ করতে চায় কমবেশি সবাই। গবেষণা বলছে, বেশিরভাগ সুস্থ মানুষই অবসর জীবনটা মেনে নিতে পারেন না। নিউ ওয়েবস্টার্স ডিকশনারি অ্যান্ড থেসোরাস অনুযায়ী ‘অবসর গ্রহণ’ হচ্ছে বয়সের কারণে কোনো ব্যবসা কিংবা চাকরি বা পেশাতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে না পারা। আমরা সাধারণত অবসর কথাটি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের সময় বলি। অবসর সময়টা যেভাবে কাজে লাগাতে পারি
শিক্ষকতা : আপনার জীবন অবশ্যই অভিজ্ঞতায় ভরা। জীবনের প্রতিটি ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে আজ আপনি প্রবীণ হয়েছেন। তাই আপনারও কিছু দায়িত্ব রয়েছে, জীবনের সেই কঠিন বাস্তবতাগুলো অতিক্রমের পথ অন্যকে দেখানোর।
সামাজিক কাজ করা : অবসর গ্রহণের ফলে আপনার হাতে এখন অফুরন্ত সময়। এ সময়টাকে কাজে লাগাতে আপনি নানামুখী সামাজিক কল্যাণকর কাজ শুরু করতে পারেন। আপনার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি মানুষকে সচেতন করা।
লেখালেখি করা : যাদের কমবেশি লেখালেখির অভ্যাস রয়েছে, তারা এই সময়টাতে নানা ধরনের লেখালেখি করতে পারেন। সে সঙ্গে পছন্দের বই পড়তে পারেন।
খাবার ও পুষ্টির বিষয়ে জ্ঞানার্জন : বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার দৈনন্দিন খাবার সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। আপনি তাই প্রবীণ বয়সে খাবার ও পুষ্টি সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করুন এবং আপনার জানা বিষয়গুলো সমাজের অন্য প্রবীণদের জানাতে পারেন।
নিয়মিত ব্যায়াম : প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ব্যায়াম শুরু করতে পারেন। ব্যায়াম হলো এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা বার্ধক্যে আপনার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সুস্থ-সবল রাখতে সাহায্য করবে। নিজে ব্যায়াম করুন এবং অন্য প্রবীণদের প্রতিদিন রুটিনমাফিক কিছু ব্যায়াম করতে উদ্বুদ্ধ করুন।
সামাজিক প্রবীণ সংঘ : এলাকার প্রবীণদের নিয়ে প্রবীণ সংঘ গঠন করতে পারেন। এই ক্লাব বা সংঘে নানা পেশা থেকে অবসরগ্রহণ করা প্রবীণরা তাদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতাগুলো সমাজে কাজে লাগাতে পারেন। এ ছাড়াও প্রবীণ বয়সে সমমনা সমবয়সীদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা হৈ-হুল্লোড় করে প্রবীণরা এই সংঘের মাধ্যমে আনন্দে সময় কাটাতে পারেন।
