বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৪-২৫ মৌসুম যেন ছক্কার মহোৎসব। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের নতুন দৃষ্টান্ত গড়ে তানজিদ হাসান ভেঙেছেন এক মৌসুমে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। ঢাকা ক্যাপিটালসের এই ওপেনার ১০ ম্যাচেই মেরেছেন ২৯টি ছক্কা, হাতে থাকা দুই ম্যাচে যা আরও বাড়বে বলাই বাহুল্য।
শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে নয়, এবার বিপিএলও ছক্কার দিক থেকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে চলেছে। এখন পর্যন্ত ৩৬ ম্যাচে হয়েছে ৫৬৭টি ছক্কা, অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি গড়ে ১৫.৭৫টি। আগের সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড ২০১৯-২০ মৌসুমের ৬২১টি। নতুন রেকর্ড গড়তে প্রয়োজন আর মাত্র ৫৫টি ছক্কা, অথচ টুর্নামেন্টে বাকি এখনও ১০টি ম্যাচ! ছক্কার এই ধারা বজায় থাকলে ২০১৯-২০ মৌসুমের রেকর্ড ভেঙে বিপিএল নতুন এক মাইলফলক গড়বে নিশ্চিত।
বিপিএলে এবার ছক্কার সংখ্যা বাড়ার পেছনে ব্যাটসম্যানদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বাউন্ডারি সীমানা কিছুটা কমিয়ে আনারও প্রভাব রয়েছে। মাঠ ছোট হওয়ায় ছক্কা মারা আগের চেয়ে সহজ হয়েছে, যা ব্যাটসম্যানরা কাজে লাগাচ্ছেন দারুণভাবে।
এবার দলীয় পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হাঁকিয়েছে তানজিদের ঢাকা ক্যাপিটালস। ১০ ম্যাচে দলটির ব্যাটসম্যানরা মেরেছেন ৮৮টি ছক্কা। তাদের ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বী খুলনা টাইগার্স, যারা সমান ম্যাচে মেরেছে ৮৪টি ছক্কা। ফরচুন বরিশাল ছাড়া বাকি সব দলই ৮০টি বা তার বেশি ছক্কা হাঁকিয়েছে।
এবারের বিপিএলে সবচেয়ে বেশি ছক্কা দেখা গেছে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সেখানে ১২ ম্যাচে হয়েছে ২১০টি ছক্কা। এরপর আছে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম (১৮০টি ছক্কা) ও মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম (১৭৭টি ছক্কা)।
ব্যাটসম্যানদের ছক্কার ঝড় চলতে থাকলে বিপিএল এবার প্রথমবারের মতো ৬৫০ কিংবা ৭০০ ছক্কার মাইলফলকও ছুঁতে পারে! হাতে থাকা ১০ ম্যাচে কী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে নিশ্চিতভাবেই এবারের বিপিএল হয়ে উঠছে সবচেয়ে ছক্কাময় আসরগুলোর একটি।
টেস্টের ১০ হাজারি ক্লাবে স্টিভ স্মিথ
ফুটবলে ঘৃণার কোনো জায়গা নেই, রেফারিকে আর্তেতা
বলিভিয়াকে হারিয়ে ফাইনাল হেক্সাগোনালের পথে আর্জেন্টিনা