নাইমের ৫৫ বলে সেঞ্চুরি, জিততে মরিয়া খুলনা ২২০

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৫, ০৫:২৯ পিএম

টানা আট ম্যাচ জয়ের পর হঠাৎ করেই ছন্দপতন রংপুর রাইডার্সের। শেষ তিন ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি তারা। সেই ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াতে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে দলটি। স্টিভেন টেলর ও ইরফান শুক্কুরের বদলে সুযোগ পেয়েছেন আজিজুল হক তামিম ও তৌফিক খান তুষার। খুলনা টাইগার্সও এনেছে একটি পরিবর্তন—ইনজুরির কারণে ছিটকে যাওয়া পাকিস্তানি পেসার সালমান ইরশাদের জায়গায় সুযোগ মিলেছে তরুণ পেসার মুশফিক হাসানের।

রংপুরের বিপক্ষে ইনিংসের শুরুটা দারুণ করেন খুলনার অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে টানা দুই ছক্কায় আক্রমণাত্মক সূচনা এনে দেন তিনি। তবে সেটিকে বড় করতে দেননি শেখ মেহেদী। ডানহাতি স্পিনারের বলে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ১২ বলে ২১ রান করা মিরাজ।

এরপর নাইম শেখের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন অ্যালেক্স রস। পাওয়ার প্লেতে খুলনার রান ছিল ৫১/১, কিন্তু এরপরই ঘটে অনাকাঙ্ক্ষিত এক রান আউট। ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়ে ১২ রান করে সাজঘরে ফেরেন রস। এতে খানিকটা ক্ষুব্ধও দেখা যায় অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারকে। তবে নাইম ছিলেন অবিচল।

শুরুতে ধীরগতিতে এগোলেও পরে রুদ্ররূপ ধারণ করেন নাইম। ইফতিখার আহমেদের এক ওভারেই তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে ১৯ রান তুলেন তিনি। এরপর দ্রুতই ছুঁয়ে ফেলেন ব্যক্তিগত ফিফটি। কিন্তু এখানেই থামেননি বাঁহাতি ওপেনার। বিপিএল মাতানো ইনিংস খেলতে থাকেন তিনি। উইলিয়াম বসিস্তোর সঙ্গে গড়েন ৮৮ রানের দুর্দান্ত জুটি।

বসিস্তো ৩৬ রান করে ফিরলেও নাইম তখনো ছিলেন আগ্রাসী মেজাজে। সাইফউদ্দিনের বলে থার্ড ম্যান দিয়ে চার মেরে মাত্র ৫৫ বলে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১১১ রানে অপরাজিত থাকেন নাইম, যেখানে ছিল ১০টি চার ও ৫টি বিশাল ছক্কা।

নাইমের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে খুলনা টাইগার্স সংগ্রহ করে ২২০ রান। বিপিএলের মঞ্চে এমন বিধ্বংসী ইনিংস খুব কমই দেখা যায়। এখন দেখার বিষয়, রংপুর রাইডার্স এই বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে পারে কি না!

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত