সরকারি সংগ্রহ অভিযান ও উৎপীড়ন

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৩:২০ এএম

বরাবরের মতো এবারও সরকার অভ্যন্তরীণ আমন সংগ্রহ অভিযান শুরু করেছে। লক্ষ্য চাষিদের উৎসাহ-মূল্য প্রদান, বাজারদর স্থিতিশীল রাখা ও নিরাপত্তা মজুদ গড়ে তোলা। এবার সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা ধান ৩.৫০ লাখ মে. টন, সেদ্ধ চাল ৫.৫০ লাখ মে. টন এবং আতপ চাল ১.০০ লাখ মে. টন। মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল ৪৭ টাকা, আতপ ৪৬ টাকা ও ধান ৩৩ টাকা। ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত সব মিলে চাল সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪.০০ লাখ মে. টন। এখন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্জনের হার ৫০ শতাংশের নিচে। আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে এ অভিযান, কিন্তু সামনে আর অর্জনের সম্ভাবনা ক্ষীণ। কারণ, ধান-চালের দাম ইতিমধ্যে বেড়ে গেছে। আর এখানেই সরকারি উৎপীড়ন শুরু।

অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান একটি স্বতঃস্ফূর্ত সরকারি কার্যক্রম; সরকার অনুসৃত লেইসে-ফেয়ার (Laissez-faire) অর্থব্যবস্থার সঙ্গে এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ; মৌসুমি সরবরাহ-প্রাচুর্যে ধান-চালের বাজারে মূল্যে যে অস্বাভাবিক ধস নামে তা ঠেকাতে এটার গুরুত্ব অপরিসীম। এ অভিযানে ধান ও চাল এ দুটি পণ্য কেনা হলেও প্রধানত সংগ্রহ করা হয় চাল। নানা কারণে ধান কেনা অত্যন্ত জটিল, শ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল। এ জন্য নিরাপত্তা মজুদ গড়া ও মূল্যের স্থিতিশীলতা অর্জনে চালই প্রধান অবলম্বন। এ চাল কেনা হয় জেলা কার্যালয় থেকে মিলারদের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে। স্বেচ্ছাধীন হওয়ায় কোনো মিলার চুক্তিতে না এলে অচুক্তিকৃত চাল সফল মিলারদের মাঝে বণ্টন করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রচেষ্টা হয়। তবে কোনো মিলার চুক্তি সম্পাদনে ব্যর্থ হলে বা চুক্তি সম্পাদনের পর পুরো চাল সরবরাহ না করলে তাকে পরবর্তী এক বা একাধিক মৌসুমে সংগ্রহ কার্যক্রম থেকে বারিত করার কথা অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে। এ ব্যবস্থা মুক্ত বাজার অর্থনীতির বাতাবরণে মিল মালিক ও সরকার পক্ষের ইচ্ছার স্বাধীনতা অনুশীলনের এক অনবদ্য স্বীকৃতি। কিন্তু এখন চলছে চাল সংগ্রহের নামে বাজার মূল্যের চেয়ে কম দামে মিলারদের  ওপর লেভি আরোপ করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জবরদস্তি। এটা বাজারব্যবস্থাকে করছে ভঙ্গুর ও অস্থিতিশীল আর মিলাদের অবস্থা করেছে দুর্বিষহ।  

বিগত স্বৈরাচারের আমলে The Control of Essential Commodities Act, 1956-এর আওতায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে ‘অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যশস্য সংগ্রহ, ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ২০২২’ জারি করা হয়। এর ৭(৩) উপ-অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘সরকার চাউল কল ও গম পেষণ কলের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদেশ দ্বারা তাহার চাউল বা গম পেষণ কল হইতে সরকার কর্র্তৃক নির্ধারিত মূল্যে ও পরিমাণে ছাঁটাইকৃত চাউল বা আটা সরবরাহ করিবার আদেশ দিতে পারিবে এবং আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরকারের সহিত চুক্তি স্বাক্ষর এবং তদানুযায়ী চাউল ও আটা সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।’ আবার উপ-অনুচ্ছেদ ৭(২)-এ বলা হয়েছে, ‘উপ-অনুচ্ছেদ (১) অনুযায়ী আদেশপ্রাপ্ত হইয়া চুক্তি স্বাক্ষর না করিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল এবং তাহারা আইনের ধারা ৬ এর অধীন দণ্ডিত হইবে।’ একটা স্বাধীন দেশে এ জাতীয় বিবেচনাশূন্য একদেশদর্শী আদেশ অবশ্যই কালাকানুন হিসেবে গণ্য। সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় সরকার অর্থাৎ খাদ্য মন্ত্রণালয় এই জবরদস্তিমূলক আদেশ প্রয়োগ করে মাঠপর্যায়ে মিল মালিকদের হয়রানি করছে। এই প্রক্রিয়ায় শুধু যে চলতি সংগ্রহ মৌসুমে চুক্তিতে অনাগ্রহী মিল মালিক ও চুক্তি সম্পাদনকারী ব্যর্থ মালিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তাই না, বিগত মৌসুমের অনুরূপ অবস্থার মিলারদেরও শাস্তির আওতায় আনার পদক্ষেপ চলছে। সরকারের এই পদক্ষেপ কতটুকু ন্যায়ানুগ, বাজার সহায়ক ও বাস্তবায়নযোগ্য সেটা ভেবে দেখার অবকাশ রয়েছে।

ভাত-মাছের কৃষিপ্রধান এ দেশে প্রথম দিকে যে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গড়ে ওঠে হাস্কিং মিল হলো তার মধ্যে অন্যতম। আগে রাতে ঘুম কামাই ও ঘর্ম নিঃসরণ করে মা-বোনেরা ঢেঁকিতে চাল তৈরি করতেন। তারপর পাকিস্তান আমলে আঙ্কেল শ্যামের বদান্যতায় প্রাপ্ত গম ভাঙিয়ে আটা খাওয়ার জন্য গড়ে ওঠেছিল আরেক ক্ষুদ্রশিল্প আটা-চাক্কি মিল। এখন গ্রামাঞ্চল থেকে আটা-চাক্কি সম্পূর্ণরূপে অপসৃত; তদস্থলে মহানগরী ও মফস্বল শহরগুলোতে গড়ে উঠেছে ময়দা কল। হাস্কিং মিলগুলোর অবস্থাও অনেকটা তথৈবচ; প্রতিযোগিতায় না পেরে অনেক হাস্কিং মিল অস্তিত্বহীন। কিছু মিল রাবার শেলার ও পলিশার সংযুক্ত করে অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে প্রাণপাত করছে। এসব ক্ষুদ্র শিল্প শ্রমঘন; অনেক গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থানের আধার। তবে বিগত সরকারের তির্যক উন্নয়ন কৌশলের কল্যাণে দেশে গড়ে উঠেছে অপার আর্থিক ও ছাঁটাই ক্ষমতার অধিকারী বিপুল সংখ্যক স্বয়ংক্রিয় চালকল। প্রশ্ন হলো, সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য গণহারে এসব মিল মালিকদের ওপর জবরদস্তিমূলক লেভি আরোপ করা কতটুকু যুক্তিসংগত, বিশেষত যখন চালের বাজারমূল্য সরকারি সংগ্রহ মূল্যের চেয়ে প্রতি কেজিতে স্থানভেদে ৭ থেকে ৮ টাকা বেশি। চালের সংগ্রহ মূল্য প্রতি কেজি ৪৭ টাকা, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অনুযায়ীই চালের খুচরা মূল্য ৫২ থেকে ৫৮ টাকা, আর পাইকারি মূল্য ৪৮ থেকে ৫৪ টাকা। আমার বাড়ি সিরাজগঞ্জে, চালের পাইকারি মূল্য কেজি অন্যূন ৫৫ টাকা। তার মানে সরকারি মূল্যে সরকারি গুদামে চাল সরবরাহ করলে মিলারকে টনপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা করে লোকসান গুনতে হবে। এই আদেশ পালন করলে সব মিলারেরই লোকসান হবে, আর ছোট মিলগুলোর এক্কেবারে কোমর ভেঙে পড়বে; অনেকগুলো বন্ধ হয়ে পড়বে। আর শ্রমঘন এই গ্রামীণ শিল্পে নিয়োজিত হাজার হাজার শ্রমিকরা হয়ে পড়বে কর্মহীন।

অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে যে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এ ধরনের বাড়াবাড়ি করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা তো যায়ই না, উল্টো বিপরীত ফল হয়; বাজারদর আরও বেড়ে যায়। তখন সাধারণ্যে ধারণা জন্মে যে, বাজারে খাদ্যশস্যের ঘাটতি রয়েছে এবং সরকার এই ঘাটতি পূরণে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য আমদানি করতে সমর্থ হচ্ছে না। ফলে আতঙ্কজনিত মজুদ বেড়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। অমর্ত্য সেন তার গবেষণা গ্রন্থ Poverty and famines: An Essay on Entitlement and Deprivation-এ দেখিয়েছেন, ১৯৪৩ সালের আগের এবং পরের বছর বাংলায় খাদ্যশস্যের মজুদ কম থাকলেও তখন দুর্ভিক্ষ হয়নি; মধ্যবর্তী ওই বছরে দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ ছিল জনসাধারণ ও ব্যবসায়ী শ্রেণি কর্র্তৃক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আতঙ্কজনিত মজুদকরণ। ওই দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় মালদার তৎকালীন আইসিএস জেলা প্রশাসক হাচ-বার্নওয়েল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময় ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানে খাদ্যাভাবকালে বিলুপ্ত খাদ্য বিভাগ পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তিনি মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। তার স্মৃতিকথা ঞযব খধংঃ এঁধৎফরধহ-এ তেতাল্লিশের মহাদুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন অভাব শুরুর প্রারম্ভে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে চাল সংগ্রহের সরকারি প্রচেষ্টা ও বিশ্বযুদ্ধ-সৃষ্ট  আতঙ্ককে। কাজেই দেশের অভ্যন্তরে পণ্যের ঘাটতি থাকলে বাইরে থেকে আমদানি করে তার সরবরাহ বাড়াতে হবে এবং মানুষের কাছে সেটা দৃশ্যমান করতে হবে। তা না করে বেসরকারি খাত থেকে স্বল্পমূল্যে সরকারি খাতে সেটা স্থানান্তর করার চেষ্টা করলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে না, বাড়বে জুলুম। আর রাষ্ট্রীয় জুলুম তো ডেকে আনতে বললে বেঁধে আনার মতো। তবে কোনো গোষ্ঠী অবৈধভাবে মজুদ গড়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও ভুঁইফোড় মুনাফা লাভের চেষ্টা করছে কি না, তা দেখার জন্য নির্দোষ পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা অবশ্যই চালু রাখতে হবে।

উল্লিখিত আদেশে চালের সঙ্গে আটার কথাও বলা হয়েছে। সরকার চালের জন্য মিলারদের ওপর লেভি আরোপ করলেও আটা এবং ময়দা মিলের জন্য কিন্তু অনুরূপ কোনো আদেশ জারি করেনি। এটা কী বৈষম্যেমূলক আচরণ নয়? আটা এখন মানুষের দ্বিতীয় প্রধান খাদ্য; গ্রামাঞ্চলেও এর প্রসার ঘটেছে। সরকার ন্যায্যমূল্যে শহরাঞ্চলে আটা বিতরণ করছে। খাদ্যমানের বিবেচনায় আটা-চালের চেয়ে কোনো ক্রমেই কম কিছু নয়; বরং অধিক গুণসমৃদ্ধ। আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চেয়ে গমের দাম প্রায় অর্ধেক, লভ্যতাও বেশি। কাজেই ময়দা মিলের মালিকদের কাছ থেকে একটা যৌক্তিক মূল্যে আটা কিনে বিতরণ করলে ঘাটতি পরিস্থিতি (যদি ঘাটতি থাকে) সহজেই মোকাবিলা করা যাবে। এতে অর্থেরও সাশ্রয় হবে। সেটা না করে মিলারদের গলা কেটে চাল সংগ্রহ করার চেষ্টা করলে এবং ব্যর্থতায় তাদের লাইসেন্স বাতিল করলে সেটা সফল তো হবেই না, উল্টো বাজারে উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে অস্থিরতা ও কৃত্রিম সংকট তৈরি হবে। আবার আন্দোলনের আরেকটা দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বর্তমান সরকার অযৌক্তিক আন্দোলনই যেখানে থামাতে পারছে না, সেখানে এই রঙ্গশালার যৌক্তিক আন্দোলন ঠেকাবে কী প্রকারে?

চালকল মালিকদের একাধিক সমিতি রয়েছে। এগুলো সবসময় নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও সরকারের কাছ থেকে সুবিধা আদায়ে  বারগেইনিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে থাকে। তাদের সবচেয়ে বড় সংগঠনটি দাবি করে আসছিল যে, চুক্তিপত্র সম্পাদন করে চাল সরবরাহের মাধ্যমে সংগ্রহ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য প্রত্যেক মিলারকে সমিতির সদস্যপদ থাকার শর্ত আবশ্যকীয় করতে হবে। আর এটা নিশ্চিত করতে চুক্তিপত্র সম্পাদনকালে সমিতির একজন প্রতিনিধি সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থেকে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করবেন। তাদের প্রস্তাবিত এ ব্যবস্থা সমিতিবহির্ভূত সাধারণ মিল মালিকদের ওপর জুলুমবাজির একটা হাতিয়ারে পরিণত হতে পারে। আবার সংগ্রহ অভিযানে এ সমিতি অনেক সময় সরকারের প্রতিপক্ষ হিসেবে দরকষাকষির ভূমিকা পালন করে। প্রতিপক্ষের শক্তি বৃদ্ধি পায় এমন কোনো কাজ কারুরই পছন্দ নয়। ফলে খাদ্য অধিদপ্তর সবসময়ই তাদের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। কিন্তু বিগত স্বৈরাচারী সরকার মিলার সমিতির এ একতরফা দাবি মেনে নেয়। যাই হোক, চাল উৎপাদন ও তার ভ্যালু-চেইনে মিলারদের যে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, যা অস্বীকার করা যাবে না। কাজেই তাদের অকারণে ক্ষতিগ্রস্ত করা হলে সেটা ভালো ফল আনবে না।

যেকোনো কর্মসূচি স্টেকহোল্ডারদের সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া সফল হতে পারে না। এবার আমন সংগ্রহ অভিযান চলাকালেই বাজারদর সংগ্রহ মূল্যের অনেক ওপরে চলে গিয়েছে। এ অবস্থায় মিলাররা গুদামে চাল সরবরাহ করলে অনেক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। কাজেই তাদের পক্ষে স্বেচ্ছায় সহযোগিতা করার প্রশ্নই আসে না। জোরাজুরি বা জবরদস্তি করেও সংগ্রহে অগ্রগতি হবে সিন্ধুতে বিন্ধুর সঙ্গে তুলনীয়। মাঝখান থেকে কিছু ক্ষুদ্র মিলার পথে বসে যাবেন। আবার এই খোঁড়া অজুহাতে কিছু মিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হলে সে কাজ পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থায় অন্তরায় তৈরি করবে। কাজেই এখানে খাদ্য মন্ত্রণালয় লাতিন অক্সিমোর ‘ঋবংঃরহধ খবহঃব’ অনুযায়ী কাজ করবে সেটাই প্রত্যাশিত, যার অর্থ ‘দ্রুত এগিয়ে যান, কিন্তু বিচক্ষণতার সঙ্গে’।    

লেখক: সাবেক মহাপরিচালক, খাদ্য অধিদপ্তর ও কলামিস্ট

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত