বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। চীনা পণ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক আরোপের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত কিছু পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিল বেইজিং, যা সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে।
গত ৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনের সর্বশেষ শুল্কারোপ করা পণ্যের মধ্যে কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে। এসব পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ সীমান্ত কর আরোপ করা হয়েছে।
এ ছাড়া মার্কিন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল, কৃষি যন্ত্রপাতি ও বড় ইঞ্জিনের গাড়ির ওপর ১০ শতাংশ শুল্কারোপ করা হয়েছে। গত সপ্তাহে চীনা কর্তৃপক্ষ প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের বিরুদ্ধে একচেটিয়া বাণিজ্যবিরোধী তদন্ত শুরু করেছে।
অন্যদিকে ব্র্যান্ড ডিজাইন কেলভিন ক্লেইন ও টমি হিলফিগারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান পিভিএইচকে বেইজিংয়ের তথাকথিত অনির্ভরযোগ্য সংস্থার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। তাতে ২০১৮ সাল থেকে দুদেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা সব স্টিল এবং অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্ট থেকে নিউ অরলিন্সে এনএফএল সুপার বোলে যাওয়ার পথে এই পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
ট্রাম্প বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানিতে শুল্ক আরোপ করবে, তাদের জন্য পাল্টা শুল্কের ঘোষণা আসছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি।
কানাডায় ট্রাম্পের এই নতুন ঘোষণা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে। কানাডা ও মেক্সিকো যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ স্টিল বাণিজ্য অংশীদার। কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ অ্যালুমিনিয়াম সরবরাহকারী দেশ। ট্রাম্পের এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় অন্টারিও প্রদেশের প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নিয়ম পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অভিযোগ এনেছেন।
