গণঅভ্যুত্থানে গদিচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির ফিরিস্তি প্রকাশিত হচ্ছে ক্রমেই। মেগা প্রকল্পের নামে রাষ্ট্রের অর্থের হরিলুট হয়েছে। আওয়ামী মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অনেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা হয়েছে। আওয়ামী লীগের আমলে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে। প্রায় বিনাভোটে এমপি হয়েছেন দলটির নেতারা। একতরফা নির্বাচনে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা খরচ করেছে তৎকালীন সরকার। রাতের ভোট নিয়েই বেশি হইচই হয়েছে দেশ-বিদেশে। এ বিষয়ে নড়েচড়ে বসেছে অন্তর্বর্তী সরকারও।
এসব নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যাদের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে, তাদের তালিকা গুছিয়ে আনা হয়েছে। ২০১৮ সালে যেসব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এতে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ৩৩ জন ডিসিকে ওএসডি এবং পুলিশের চারজন ডিআইজি ও দুজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে বা সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল আলম সেলিম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গত তিনটি নির্বাচন ছিল লোকদেখানো। এর পেছনে যে অর্থ খরচ হয়েছে, তা নজিরবিহীন। এর প্রভাব আমাদের অর্থনীতিতেও পড়েছে। এতে জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না। আমি-ডামি আর রাতের ভোট হয়েছে। এখনই সময় যথাযথ তদন্ত করে যারা এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা; বিচার করা।’
তিনটি জাতীয় নির্বাচনে খরচ : সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের রাতের ভোটে ডিসি ও এসপিরা খরচ করেছেন ৪০০ কোটি টাকা। আর ডামি ভোটের পেছনে খরচ ২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় নির্বাচনে খরচ হয়েছিল ২৬৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। তিনটি নির্বাচনেই খরচে নয়ছয় হয়েছে বলে অভিযোগ। অন্তর্বর্তী সরকার তদন্ত করবে বলে জানা গেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাব-ইন্সপেক্টররাও জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, নির্বাচন কমিশন, জেলা প্রশাসক ও থানা নির্বাহী কর্মকর্তারাও জড়িত ছিলেন। কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোটারের চেয়ে বেশি ভোট কাস্ট করা হয়েছে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে দেশ-বিদেশে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে আগের সরকারের অবিচারগুলো সামনে নিয়ে আসছে। বিশেষ করে রাতের ভোটের জোরালো তদন্ত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের তালিকায় পুুলিশের নাম সবচেয়ে বেশি সাবেক আইজিপি, পুলিশের সব কটি ইউনিটের প্রধান, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, থানার ওসি, ইন্সপেক্টর ও সাব-ইন্সúেক্টর। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ও থানা নির্বাহী কর্মকর্তারাও আছেন (৩৬৪ জন)। রাতের ভোটের আরেক কারিগর সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবরা। নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তারাও নৈশভোটের কারিগর হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার।
তালিকাভুক্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন কর্মকর্তা আমেরিকা, লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, দুবাই ও ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। গত বছরের ১ আগস্ট থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ২০৩ জন পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত। তাদের মধ্যে একজন ডিআইজি, সাতজন অতিরিক্ত ডিআইজি, দুজন পুলিশ সুপার, একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পাঁচজন সহকারী পুলিশ সুপার, পাঁচজন পুলিশ পরিদর্শক, ১৪ জন এসআই ও সার্জেন্ট ১৪ জন, ৯ জন এএসআই, সাতজন নায়েক এবং ১৩৬ জন কনস্টেবল। কর্মস্থলে গরহাজির ৪৯ জন, স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত তিনজন ও অন্যান্য কারণে ৩৯ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত। গত সোমবার অতিরিক্ত ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার ও মেহেদী হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রাতের ভোট নিয়ে বেশি আলোচনা : পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন পুরস্কারের জন্য তাদের বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক এবং ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারদের পদক তালিকায় বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে; তাদের ভালো স্থানে পদায়নও করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, তালিকাটি সরকারের শীর্ষমহলে পাঠানো হয়েছে। রাতের ভোটের কনসেপ্টটি প্রথমে পুলিশের মাধ্যমেই এসেছিল। যারা এসব করেছে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
গোয়েন্দা সংস্থার ছাত্রলীগ অনুগতদের নিয়েও নির্বাচন : পুলিশ সূত্র জানায়, রাতের ভোট আয়োজনে ডিসি ও এসপিদের পাশাপাশি কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নামও উঠে এসেছে। ওই সময় গোয়েন্দা সংস্থা দুটির সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও জেলা ডিটাচমেন্টের দায়িত্বে যেসব কর্মকর্তা ছিলেন, তাদেরও অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে। নির্বাচনকালে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাচনী কারচুপিতে ভূমিকা রাখেন। নির্বাচনের আগে এনএসআই কর্মকর্তাদের সরিয়ে রেখে আওয়ামীপন্থি জুনিয়র কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। নিয়মিত সদস্যদের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ না করে ছাত্রলীগের অনুগত কর্মকর্তাদের দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। নির্বাচনের তিন মাস আগেই নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের বিভাগীয় কার্যালয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
সংস্কার কমিশন যা বলেছে : সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ও শপথ ভাঙার কারণে গত তিনটি নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনতে কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে নিরপেক্ষ তদন্ত করে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে যারা কারচুপিতে সহায়তা করেছে, তাদের বিচার করা হোক। তখনকার কমিশন অন্যায় করলে তাদেরও বিচার হবে। নির্বাচনী অঙ্গনকে দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করতে হবে।’
বিপুল খরচের তদন্ত চলছে : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হওয়া তিনটি জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ২০১৮ নির্বাচনে জেলায় কর্মরত ডিসি ও এসপিদের তালিকা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ডিসিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। পুলিশের চারজন ডিআইজি ও দুজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ৬৪ জেলার ৮২ এসপিকে ওএসডি করা হয়েছে। কারও বিরুদ্ধে দুদক মামলা করবে।’
যেসব পুলিশ সুপার তালিকায় : ডিআইজি এসএম মোস্তাক আহমেদ খান, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মাসুদ আহাম্মদ, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মারুফ হোসেন সরদার, পুলিশ সুপার নাবিদ কামাল শৈবাল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইব্রাহীম খান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. হামিদুল আলম, অতিরিক্ত ডিআইজি বিজয় বসাক, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. ফারুক উল হক, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আমির জাফর, অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. সাজিদ হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ হেমায়েতুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. জয়নুল আবেদীন, পুলিশ সুপার মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন, উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ এহসান শাহ, পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ, পুলিশ কমিশনার মোহা. সোহেল রেজা, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঞা, পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক, অতিরিক্ত ডিআইজি কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ শরিফুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক আব্দুল আলীম মাহমুদ, ডিআইজি শাহ্ মিজান শাফিউর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. শামসুন্নাহার, পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম, ডিআইজি মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ, অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জিত কুমার রায়, ডিআইজি মো. জাকির হোসেন খান, অতিরিক্ত ডিআইজি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, অতিরিক্ত ডিআইজি আসমা সিদ্দিকা মিলি, উপপুলিশ কমিশনার আব্দুল মোমেন, ডিআইজি মো. শাহ আবিদ হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব চৌধুরী, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. দেলোয়ার হোসেন, পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম, ডিআইজি নুরে আলম মিনা, অতিরিক্ত ডিআইজি এবিএম মাসুদ হোসেন, উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আহমার উজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আলমগীর কবির, ডিআইজি মো. ইলিয়াছ শরীফ, ডিআইজি আ স ম মাহাতাব উদ্দিন, ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন খান, পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির, ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ শাহ জালাল, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. বরকতুল্লাহ খান, এআইজি মোহাম্মদ উল্ল্যা, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাজ্জাদুর রহমান, ডিআইজি মো. মাহবুবুর রহমান, ডিআইজি মঈনুল হক, অতিরিক্ত ডিআইজি খান মুহাম্মদ রেজোয়ান, উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হাসানুজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি পংকজ চন্দ্র রায়, ডিআইজি মো. সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাম কবির, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোকতার হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মারুফ হোসেন, কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ মাইনুল হাসান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. শহিদুল্লাহ, অতিরিক্ত ডিআইজি টিএম মোজাহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি সাইফুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত ডিআইজি টুটুল চক্রবর্তী, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. রশীদুল হাসান, পুলিশ সুপার মো. আলী আশরাফ ভূঞা, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত ডিআইজি সৈয়দ আবু সায়েম, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. গিয়াস উদ্দিন আহমদ, অতিরিক্ত ডিআইজি মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি এসএম রশিদুল হক, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মেহেদুল করিম ও অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল মান্নান মিয়া।
গত বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে জানানো হয়, ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এমন ৩৩ কর্মকর্তা ওএসডি হয়েছেন। একই কারণে আগে ওএসডি হয়েছেন ১২ কর্মকর্তা।
পদক প্রত্যাহার পুলিশের : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচনের সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা ১০৩ পদস্থ কর্মকর্তার বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) বাতিল করা হয়েছে গত সোমবার।
