এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ তহবিলের সাত থেকে আট হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন।
তিনি বলেন, এটি শিক্ষকদের নিজস্ব অর্থ। এই অর্থ থেকে তাদের অবসর সুবিধা প্রদান করা হয়। কিন্তু বিগত সসরকারের সময় এই তহবিলের অর্থ লোপাট হয়ে গেছে। ফলে ৭-৮ বছর আগেও যারা অবসর নিয়েছেন, তাদের পাওনা পরিশোধ করা যাচ্ছে না। এ বিষয়টির সুরাপা করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় বরাবর আধা সরকারি পত্র (ডিও) দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলনকক্ষে আজ সোমবার অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
এনইসি সভায় সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সভায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।
এনইসি সভা শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) যেসব প্রকল্প রয়েছে, সেগুলোর অনেকগুলোতে দুর্নীতি হয়। সরকার সেগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুর্নীতির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনেকগুলো প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে সরকারি প্রকল্পের ৪০ শতাংশ কেনাকাটা ই-জিপির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই এটিকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার বিষয়ে কজ চলছে। এটি বাস্তবায়ন হলে সরকারি কেনাকাটায় দুর্নীতি অনেকাংশে লাঘব হবে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, আগের সরকারের প্রণীত বিভিন্ন আইনি কাঠামোর মাধ্যমেই এখনও সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে। এসব কাঠামো রাতারাতি বদলে ফেলা যাবে না। তবে এগুলো পরিবর্তনের কাজ চলছে।
