চ্যাম্পিয়নস ট্রফিত অন্য সব দলকেই যেখানে শহর থেকে শহর, ভেন্যু থেকে ভেন্যুতে ছুটোছুটি করতে হচ্ছে, ভারত সেখানে একই শহরে একই হোটেলে থেকে একই মাঠে খেলার সুযোগ পাচ্ছে। এটাকে বিশাল সুবিধা বলে মন্তব্য করে আলোচনার ঝড় তোলেন নাসের হুসেইন, মাইকেল আথারটনের মতো সাবেক ক্রিকেটারদের অনেকে।
দুবাইয়েই মঙ্গলবার প্রথম সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। আগের দিনের সংবাদ সম্মেলনে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা।
“এমন নয় যে, পিচ কি আচরণ করবে আমরা তা জানি। সেমিফাইনালে কোন পিচ ব্যবহার করা হবে, তা আমরা জানি না। তবে যাই হোক না কেন, আমাদের মানিয়ে নিতে হবে এবং কেমন আচরণ করে সেটি দেখতে হবে। আর এটা আমাদের ঘরের মাঠও নয়- এটা দুবাই। আমরা এখানে খুব বেশি ম্যাচ খেলি না, এখানে খেলা আমাদের জন্যও নতুন।”
দুবাইয়ে কেমন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন তারা, সেটাও তুলে ধরার চেষ্টা করেন ভারত অধিনায়ক ও তারকা ওপেনার রোহিত।
“আমরা যে তিনটি ম্যাচ খেলেছি, মাঠের প্রকৃতি একই ছিল, কিন্তু তিন ম্যাচে পিচ ভিন্ন আচরণ করেছে। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দেখেছি যখন তাদের পেসাররা বোলিং করেছে, তারা সুইং ও সিম মুভেমেন্ট পেয়েছে, যা আগের দুই ম্যাচে আমাদের বোলাররা আগে বোলিং করার সময় পায়নি। আর সন্ধ্যায় একটু ঠাণ্ডা পড়ে, তাই বল সুইং করার সম্ভাবনা থাকে।”
“আমরা এটাও জানি না প্রতিটি উইকেট কেমন আচরণ করবে। দেখতে একই রকম, কিন্তু খেলতে নামলে দেখা যায় ভিন্ন আচরণ করছে। পিচ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়, একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু শট খেলতে পারব কিনা, সেটা আমাদের ভাবতে হয়। আর বোলারদেরও মানিয়ে নিতে হয়।”
হামজার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ 