ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মাইক্রোস্ট্যান্ডের লোকজনদের হামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন প্রতিনিধি আহত হয়েছেন। রবিবার রাতে উচালিয়া পাড়া মাইক্রো স্ট্যান্ডে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন- সরাইল উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি ইরফান খান, আলিফ মাহমুদ নাহিদ ও মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম। এর মধ্যে ইরফান খান গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা প্রতিনিধি বায়েজিদুর রহমান সিয়ামসহ ছাত্র প্রতিনিধিরা আহতদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান।
আহতরা জানান, রবিবার রাত ১০টার দিকে সরাইল-নাসিরনগর সড়কের ধরন্তী এলাকায় একটি মাইক্রোবাস মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে পালিয়ে উচালিয়াপাড়া মাইক্রোস্ট্যান্ডে চলে যায়। গাড়িটির পিছু নিয়ে স্থানীয়রা মাইক্রোবাসটিকে ওই মাইক্রোস্ট্যান্ডে দেখতে পেয়ে আটক করে।
খবর পেয়ে ছাত্র প্রতিনিধিরা সেখানে গিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। এ সময় ছাত্র প্রতিনিধিরা মাইক্রোবাসটিকে আটক করে থানায় নিয়ে যেতে পুলিশকে অনুরোধ করেন। এ নিয়ে মাইক্রো স্ট্যান্ডের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্র প্রতিনিধিদের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। এ সময় একটি ঢিল পড়ে মাইক্রোবাসের গ্লাস ভেঙে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাইক্রো স্ট্যান্ডের সভাপতি হেলালের নেতৃত্বে ছাত্র প্রতিনিধিদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় অন্তত তিনজন আহত হয়। এর মধ্যে ইরফান খানকে গুরুতর আহত অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সরাইল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনায় মাইক্রো স্ট্যান্ডের ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইরফান খান বাদী হয়ে সোমবার সকালে থানায় মামলা জমা দিয়েছে। আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
