ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে বিশাল অর্থের প্রবাহ আনতে যাওয়া হান্ড্রেড টুর্নামেন্টের ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার চুক্তি সম্পন্ন করতে আরও সময় পেলেন সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরা। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) আটটি দলের মালিকানার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেছে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত।
এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে দুই মাসের জন্য একচেটিয়া আলোচনা চুক্তি করেছিল ইসিবি। তবে ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেও চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর হয়নি। মূলত চারটি দল মালিকানা সংক্রান্ত শর্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, যার কারণে বিলম্ব হয়েছে।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মালিক রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ইতোমধ্যে ওভাল ইনভিন্সিবলসের ৪৯% শেয়ার কিনতে রাজি হয়েছে, আর আমেরিকান প্রযুক্তি সংস্থা ক্রিকেট ইনভেস্টর হোল্ডিংস এমসিসির সঙ্গে মিলে লন্ডন স্পিরিট পরিচালনা করবে। তবে এই দুই সংস্থা নতুন মালিকানা চুক্তির কিছু শর্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একইভাবে ম্যানচেস্টার অরিজিনালস ও নর্দার্ন সুপারচার্জার্সের ভারতীয় ক্রেতারাও চুক্তির কিছু দিক পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে।
মূল বিতর্ক ঘিরে রয়েছে হান্ড্রেডের পরবর্তী টিভি স্বত্ব নিয়ে। নতুন বিনিয়োগকারীরা চান, সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকুক, যাতে তারা টিভি স্বত্ব থেকে সরাসরি আয় করতে পারেন। কিন্তু ইসিবি চাইছে ২০২৮-২০৩২ মেয়াদে ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক ও হান্ড্রেড ম্যাচের স্বত্ব একসঙ্গে বিক্রি করতে, যেমনটা তারা স্কাই স্পোর্টসের সঙ্গে বর্তমান চুক্তিতে করেছে।
বিশ্বের অন্যতম ধনী পরিবার আম্বানিদের মালিকানাধীন রিলায়েন্স, যারা ডিজনি ও জিওর সঙ্গে যৌথভাবে মিডিয়া ব্যবসা পরিচালনা করে, তাদের মূল লক্ষ্য হান্ড্রেডের আন্তর্জাতিক সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য বাড়ানো। বিনিয়োগের বিপরীতে লাভ নিশ্চিত করতে তারা এবং ক্রিকেট ইনভেস্টর হোল্ডিংস সম্প্রচার নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলেছে।
তবে হান্ড্রেডের স্বত্ব আলাদা বিক্রি করা হলে স্কাই স্পোর্টসের সঙ্গে ইসিবির দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং ইংল্যান্ডের ক্রিকেট সম্প্রচার চুক্তির মোট মূল্যও কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সব পক্ষই আশাবাদী যে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো যাবে, তবে এখনো কিছু বিষয় সমাধান বাকি।
আনচেলত্তিকে খোঁচা তেবাসের
মেসিকে নিয়ে আশার বাণী শোনালেন মায়ামি কোচ