বিএনপি নেতার ওপর গরম তেল নিক্ষেপ, ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:০৭ পিএম

কালিহাতীর বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে পূর্ব শত্রুতার জেড় ধরে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগের ১৫ জন নেতাকর্মীর বিরদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি ও উপজেলা মৎস্যজীবিদলের সদস্য সোহেল সিকদার ও তার চাচাতো বড় ভাইকে গত ২৮ মার্চ ইফতারের পূর্ব মুর্হূতে জিলাপি ভাজা গরম তেল নিক্ষেপ ও এলোপাথারী আঘাত করে হত্যা চেষ্টা করা হয়। 

গত ২৮ মার্চ কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের কস্তুরীপাড়া বাজার মাদ্রাসা মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত সোহেল সিকদারের বড় ভাই শাহীন সিকদার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জানান, বিএনপি করার কারণে ২০১১ সালে আমার বাবা শাজাহান সিকদারকে রাজনৈতিক কারণে হত্যা করা হয়, যেটা বর্তমানে টাঙ্গাইল ২নং অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন আছে। সেই মামলার যারা আসামি তারাই আমার ছোট ভাইকে গরম তেল নিক্ষেপ করে হত্যার চেষ্টা করে এবং চাচাতো ভাইকে মাথায় এলোপাথারী আঘাত করে। কারণ ওই মামলা প্রত্যক্ষদর্শী ও একমাত্র অর্থবহনকারী আমার ছোট ভাই সোহেল সিকদার।

তিনি বলেন, গত ৩০ মার্চ আমি শাহীন সিকদার ঘটনার জড়িত কালিহাতী উপজেলার রাজাফৈর গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে মামুদ (৫০) আলীকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনসহ অজ্ঞাত ৩০/৪০ জনের নামে  নামে কালিহাতী থানায় একটি মামলা করি। আওয়ামী লীগের শাসন আমলে ১৪টা মিথ্যা মামলা করে আমাদের নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা ব্যাপকভাবে নির্যাতিত। আমি চাই জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।

আহত সোহেল সিকদার জানান, বিএনপি নেতা ডা.শাহ আলম তালুকদারের ইফতার মাহফিলে যাওয়া সময় দুই দফায় তারা আমাদের ওপর হামলা করেন। আবুবকর নামে লোকটা আমার ওপর গরম তেল নিক্ষেপ করেন। পরে আমার চাচাতো ভাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখান থেকে জখম গুরুত্ব থাকায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করে।

এ ঘটনা জড়িতদের সাথে যোগাযোগ করা হলে জানান যায় তারা পালিয়ে রয়েছে।

এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক (ভিপি) জানান, সোহেল সিকদার ও তার পরিবার আমাদের দলের লোক। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। দলের পক্ষ থেকে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া বলেন, মামলা নিয়েছি,মামলার আইয়ো তিনদিনের জন্য অন্য থানায় ডিউটি থাকায় গ্রেপ্তার হচ্ছে না। তবে আমরা আসামিদের খোঁজ খবর নিচ্ছি। আশা করি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে পারবো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত