শিশু ধর্ষণের বিচার চেয়ে সড়কে চিলাহাটিবাসীর বিক্ষোভ

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৪০ পিএম

সাত বছরের এক শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের চিলাহাটির খানকাউত্তরপাড়া গ্রামে। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যার এ ঘটনায় শিশুকে রাতেই নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত রনি (২৫) পালিয়ে গেছেন। তিনি ওই গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে।

অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তকে রক্ষা করতে ও ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহে একটি মহল উঠে-পড়ে লাগায় চিলাহাটি এলাকার যুব ও তরুণ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে রাস্তায় নেমে পড়েন। রবিবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে চিলাহাটি এলাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে চৌরাস্তা মোড়ে সমবেত হয়ে মানববন্ধন ও সমাবেশে মিলিত হন তারা।

বক্তরা ধর্ষককে গ্রেপ্তার এবং বিচারের মাধ্যমে ফাঁসির দাবিতে চিলাহাটি উত্তালে পরিণত করেন। সমাবেশ থেকে যুব-তরুণ ও শিক্ষার্থীরা বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষক রনিকে গ্রেপ্তার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবেন তারা।

চিলাহাটির খানকা উত্তরপাড়া গ্রামের পলাশ হোসেন জানান, শিশুটির বাবা চিলাহাটি বাজারে চটপটির দোকান করেন। ধর্ষক রনির বাবাও চিলাহাটি বাজারে কাচা তরকারির আড়ৎদার। তাদের বাড়ি একই পাড়ার রাস্তার সামনাসামনি। কিছুদিন আগে রনির ছোট ভাই বিয়ে করে ঘরে নতুন বউ এনেছে। কিন্তু বড় ভাই রনি বিয়ে করেনি। ঘটনার দিন বিকাল ৫টার দিকে রনি শিশুটিকে আইসক্রিম দেওয়ার কথা বলে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ভুট্টা ক্ষেত থেকে কান্নার শব্দ পেয়ে মানুষ গিয়ে দেখতে পায় বস্ত্রহীন অবস্থায় শিশুটি কান্নাকাটি করছে।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রহিম দেশ রূপান্তরকে জানান, শিশুটির চিকিৎসা চলছে।

চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মশিউর রহমান দেশ রূপান্তরকে জানান, শিশুটির পরিবার এখনও লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আমরা ধর্ষককে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা করছি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত