চৈত্র সংক্রান্তি শুধুমাত্র একটি ঋতু পরিবর্তনের উৎসব নয়, বরং এটি আমাদের প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
আজ রবিবার সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দুইদিনব্যাপী ‘চৈত্র সংক্রান্তি ও বৈশাখ উদযাপন’ অনুষ্ঠানে নারী ও চৈত্র সংক্রান্তি বিষয়ক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নবপ্রাণ আন্দোলন এবং সহযোগিতা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
উপদেষ্টা জানান, ‘এই প্রথম সরকারিভাবে চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ একত্রে উদযাপন করা হচ্ছে, যা আমাদের সংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা। এটাই আমাদের আসল সংস্কৃতি, যা প্রকৃতির সাথে আমাদের গভীর সম্পর্ককে স্মরণ করিয়ে দেয়।
চৈত্র সংক্রান্তিতে ১৪ রকম শাক খাওয়ার প্রচলনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে এসব শাক বিশুদ্ধভাবে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিবেশ দূষণ এবং কীটনাশকের ব্যবহারের কারণে অনেক শাক বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে। আমাদের পরিবেশকে বিষমুক্ত করতে হবে, তবেই আমরা প্রকৃতির দান উপভোগ করতে পারব।’
তিনি আরও বলেন, ‘শাকসবজি দরিদ্র মানুষের পুষ্টির অন্যতম উৎস। চৈত্র সংক্রান্তিতে আমিষবর্জিত খাবারের মাধ্যমে প্রকৃতি ও স্বাস্থ্য-সচেতনতা—উভয়ই গুরুত্ব পায়।’
দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি, সেখানে কেবল বিল্ডিং কিংবা গাড়ি নির্মাণই যেন উন্নয়নের মাপকাঠি না হয়। প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও রাষ্ট্রচিন্তক ফরহাদ মজহার, কুষ্টিয়া থেকে আগত সাধুগুরু, নবপ্রাণ আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা ও নয়াকৃষি আন্দোলনের কৃষকরা।
সরিয়ে দেওয়া হলো ডিবি প্রধান রেজাউল করিম মল্লিককে
আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম নিদর্শন: প্রধান উপদেষ্টা